আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে নদী পথে গরু বোঝাই ট্রলার টানাটানি বন্ধ এবং ছিনতাই ও চাঁদাবাজিসহ সব ধরনের অপরাধ ঠেকাতে নৌ টহল শুরু করেছে র্যাব-১১ বিশেষ টিম। মেঘনার উপকূল থেকে শুরু করে শীতলক্ষ্যা ও বুড়িগঙ্গা নদীসহ বিভিন্ন নদীতে টহল দেবে র্যাব। মঙ্গলবার (২৯ আগস্ট) দুপুর থেকে এ টহল শুরু হয়। চলবে ঈদের দিন সকাল পর্যন্ত।
মঙ্গলবার দুপুরে শহরের প্রধান নদীবন্দর টার্মিনাল ঘাটে এক সংবাদ সম্মেলনে র্যাব-১১ এর ক্রাইম প্রিভেনশন স্পেশাল কোম্পানির সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার এ তথ্য জানান।
সংবাদ সম্মেলনে র্যাবের এ কর্মকর্তা জানান, নদীর তীরে বিভিন্ন স্থানে কোরবানির পশুর হাটগুলোকে কেন্দ্র করে জাল নোট চক্র, গরু ছিনতাইকারী, মলম পার্টি ও চাঁদাবাজসহ কোনও অপরাধী চক্র যেন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করতে না পারে সেজন্য র্যাবের ২০ সদস্যের দুইটি টহল দল দুইটি স্পিডবোটে করে ২৪ ঘণ্টা নজরদারি করবে। টহল টিমের সঙ্গে র্যাবের নিজস্ব গোয়েন্দারাও এ বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করবে। নৌপথে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ইতিমধ্যে র্যাব নদীর তীরবর্তী কোরবানির পশুর হাট ইজারাদারদের বিভিন্ন দিক নির্দেশনা দিয়েছে। যে কোনও ধরনের অপরাধমূলক ঘটনার সংবাদ পাওয়ামাত্র র্যাবকে অবহিত করার জন্য তাদেরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন র্যাব-১১ এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আলেপ উদ্দিন ও সহকারী পুলিশ সুপার মো. বাবুল আকতার। সংবাদ সম্মেলন শেষে র্যাব শীতলক্ষ্যা নদীর টার্মিনালঘাট থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের টহল কার্যক্রম শুরু করে।








