নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে যৌতুকের দাবিতে সফুরা বেগম নামে এক গৃহবধূকে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে। সোমবার ( ৩০ অক্টোবর ) রাতে সোনারগাঁও পৌরসভার সাহাপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত গৃহবধূ কে প্রথমে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এবং পরে ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সোনারগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদ আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মঙ্গলবার (৩১ অক্টোবর) বিকালে ওই গৃহবধূ বাদী হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
ওসি মোরর্শেদ আলম জানান,সোনারগাঁও পৌরসভার সাহাপুর গ্রামের শাহাবুদ্দিনের ছেলে জাহাঙ্গীর হোসেনের সঙ্গে মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার রায়পুরা গ্রামের আব্দুস সোবহানের মেয়ে সফুরা বেগমের ১০ বছর আগে বিয়ে হয়। তাদের সংসারে সাত বছরের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর থেকেই স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন যৌতুকের জন্য তাকে নির্যাতন করে আসছিলো। ওই গৃহবধূ কয়েক দফায় যৌতুকের টাকা এনে স্বামীকে দেন। গত সোমবার রাতে তারা আবারও যৌতুকের টাকার জন্য চাপ দেন। এতে রাজি না হওয়ায় স্বামী জাহাঙ্গীর হোসেন,শ্বশুর শাহাবুদ্দিন ও শাশুড়ি পিয়ারা বেগম গৃহবধূকে মারধর করে। এতে সফুর বেগম চোখে মারাত্মক আঘাত পায়।
আহত গৃহবধূ সফুরা বেগম জানান,‘আমার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন যৌতুকের টাকার জন্যই আমাকে মারধর করেছে। তারা আমার চোখ নষ্ট করে দেওয়ার জন্য আমার চোখে আঘাত করেছে।’
ওসি মোরশেদ আলম আরও বলেন,‘গৃহবধূ সফুরা বেগম ঢাকায় চিকিৎসাধীন আছেন। তিনি নিজে বাদি হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। এ ব্যাপারে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’








