‘বিশাল আকৃতির পণ্যবাহী কাভার্ডভ্যানের সামনে কম্পিউটারে প্রিন্ট করে লেখা ‘জরুরি ওষুধ সরবরাহের কাজ’, অথচ এই গাড়িতে করেই পাচার হচ্ছিল প্রায় ৭ হাজার কেজি জাটকা ইলিশ। এমন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৮ মাদারীপুর ক্যাম্পের সদস্যরা রবিবার (৫ নভেম্বর) বেলা ১১টার দিকে জাটকাভর্তি ওই কাভার্ডভ্যান জব্দ করে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের পক্ষ থেকে কাভার্ডভ্যান চালককে ৩ মাসের কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
র্যাব-৮ মাদারীপুর ক্যাম্পের কমান্ডার মেজর মো. রাকিবউজ্জামান বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, পটুয়াখালী থেকে রাজধানী ঢাকার উদ্দেশে একটি কাভার্ডভ্যানে জাটকা বহন করা হচ্ছে, ভ্যানটিতে ‘জরুরি ওষুধ সরবরাহের কাজ’ লেখা রয়েছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের মাদারীপুর সদর উপজেলার মস্তফাপুর বাসস্ট্যান্ডে অবস্থান করে র্যাব-৮ মাদারীপুর ক্যাম্পের একটি দল। ওই কাভার্ডভ্যানসহ প্রায় ৭ হাজার কেজি জাটকা জব্দ করা হয়। আটক করা হয় কাভার্ডভ্যানের চালক বাবুল মিয়াকে। আটক বাবলু মিয়া পটুয়াখালীর তিতকাঠি গ্রামের দীনেশ আলী আকনের ছেলে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, র্যাবের অভিযান শেষে জাটকাভর্তি কাভার্ডভ্যানটি মাদারীপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে নিয়ে আসা হয়। দুপুরে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আল-মামুন জাটকা বহন করার অপরাধে কাভার্ডভ্যানের চালক বাবুল মিয়াকে তিন মাসের কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দেন।
কাভার্ডভ্যানের মধ্যে এমনভাবে মাছগুলো প্যাকেট করা ছিল যে, প্রাথমিকভাবে মনে হয়েছে কোনও ওষুধজাতীয় পণ্যের প্যাকেট। পরে জব্দকৃত জাটকাগুলো বিভিন্ন এতিমখানা, মসজিদ ও মাদ্রাসায় দান করা হয়েছে।








