গাজীপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে ‘কমন ইলান্ড’ শাবকের জন্ম হয়েছে। ২৬ ফেব্রুয়ারি সকালে শাবকটির জন্ম হয়। বাংলাদেশে এই প্রাণীর এটিই প্রথম বাচ্চা জন্ম দেওয়ার ঘটনা।
পার্কে এখন এই প্রজাতির তিনটি প্রাণী হলো। নারী কমন ইলান্ড সাধারণত ১ থেকে ৩ এবং পুরুষ কমন ইলান্ড ৪ থেকে ৫ বছরের মধ্যে প্রজনন সক্ষম হয়।
সাফারি পার্কের ওয়াইল্ড লাইফ সুপারভাইজার মো. সরোয়ার হোসাইন খান বলেন, ‘এটি এন্টিলব জাতীয় আফ্রিকান প্রাণী। ইথিওপিয়া থেকে এঙ্গোলা এবং মুজাম্বিক, নামিবিয়া অঞ্চলে এদের বসবাস। শাবকটি জন্মের পর পরই উঠে দাঁড়িয়েছে। শাবকটি দুই থেকে তিন মাস পর্যন্ত মায়ের দুধ খাবে। এরপর ধীরে ধীরে অন্য খাবারের প্রতি ঝুঁকবে।’
তিনি জানান, ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে নারী ও পুরুষ দুটি কমন ইলান্ড পার্কে আনা হয়। তাদের বর্তমান বয়স কমপক্ষে ৬ বছর। কমপক্ষে আরও এক বছর পর প্রাকৃতিকভাবে আবার তাদের মধ্যে প্রজনন ক্ষমতা গড়ে উঠবে। এ প্রাণীর গর্ভকালীন সময়সীমা ৮ থেকে ৯ মাস।
গাজীপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মোতালেব জানান, তৃণভোজী প্রাণী হলেও কমন ইলান্ডের প্রধান খাবার গুল্মলতা, ঘাস, গাছের বাকল, নরম মূল। এদের প্রজনন সময় বছরের যে কোনও সময় হতে পারে। তবে এদের প্রজননের মূল সময় বর্ষা মৌসুম।
গাজীপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কের প্রকল্প পরিচালক শামসুল আজম বলেন, ‘বাংলাদেশে অন্য কোথাও এ প্রাণী নেই। প্রাকৃতিক পরিবেশে এদের জীবনকাল ২০ বছর। সংরক্ষিত পরিবেশে ২৫ বছর পর্যন্ত হতে পারে।’








