নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে মেঘনা নদীর পশ্চিম তীর অবৈধভাবে দখল করার অভিযোগে মেঘনা গ্রুপের ফ্রেশ কোম্পানিকে চার লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এছাড়াও মেঘনা নদীর পশ্চিম তীর দখল করে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা মেঘনা গ্রুপ ও প্রভিটা কোম্পানির ৫টি পাকা স্থাপনাসহ ২০টি টং ঘর উচ্ছেদ করা হয়েছে। অভিযানকালে মেঘনা গ্রুপ, প্রভিটা কোম্পানি ও ইউনিক গ্রুপের ভরাট করা অংশ এক্সাভেটর (ভেকু) দিয়ে কেটে নদীকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হয়েছে। এছাড়া জব্দকৃত বালু ও পাথর ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে। মঙ্গলবার ও বুধবার দুই দিনব্যাপী সকাল থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিআইডব্লিউটিএ’র নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শামীম বানু শান্তির নেতৃত্বে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বিআইডব্লিউটিএ’র নারায়ণগঞ্জ নদী বন্দরের উপ-পরিচালক মো. শহিদুল্লাহ, সহকারী পরিচালক এহতেশামুল পারভেজ ও মো. শাহআলম, বিআইডব্লিউটিএ’র মেডিক্যাল অফিসার ডা. জাকিরুল হাসান ফারুক প্রমুখ।
উচ্ছেদ অভিযানে বিআইডব্লিউটিএ’র জাহাজ অগ্রণী, একটি এক্সাভেটর (ভেকু), একটি টাগবোটসহ বিপুল সংখ্যক উচ্ছেদ কর্মী, নৌ পুলিশ ও আনসার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
বিআইডব্লিউটিএ’র নারায়ণগঞ্জ নদী বন্দরের উপ-পরিচালক মো. শহিদুল্লাহ জানান, দুই দিনব্যাপী চলা অভিযানের প্রথম দিন মঙ্গলবার নদী দখলের অভিযোগে মেঘনা গ্রুপের ফ্রেশ কোম্পানিকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মেঘনা নদী দখল করে গড়ে ওঠা ৫টি পাকা স্থাপনা ও ২০টি টং ঘর উচ্ছেদ করা হয়েছে। এছাড়া জব্দকৃত বালু ও পাথর ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা নিলামে বিক্রি করা হয়। মেঘনা নদীর পশ্চিম তীরে মেঘনা গ্রুপ, প্রভিটা কোম্পানি ও ইউনিক গ্রুপ নদীর বেশ কিছু অংশ বালু দিয়ে ভরাট করে ফেলেছিল। ওই সব অংশ ভেকু দিয়ে কেটে নদীকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হয়েছে।
আরও পড়ুন: মেয়েকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় শিক্ষককে পিটিয়েছে বখাটেরা








