গাজীপুর ও খুলনা সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনা এখনও নেই বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। তবে, নির্বাচনে স্বাভাবিকভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন ও বিজিবি অবশ্যই থাকবে। তিনি বলেন, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সেনাবাহিনী সাধারণত মোতায়েন করা হয় না।’
শনিবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে গাজীপুরের বঙ্গতাজ অডিটোরিয়ামে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি সেখানে রিটার্নিং কর্মকর্তার অস্থায়ী কার্যালয় পরিদর্শন করেন। এসময় তার সঙ্গে রিটার্নিং কর্মকর্তা রকিব উদ্দিন মন্ডল ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা তারিফুজ্জামানসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
হেলালুদ্দীন বলেন, ‘আগামী ১৫ মে গাজীপুর ও খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন কমিশন কিছু ক্ষেত্রে ইভিএম ব্যবহার করার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তার পাশাপাশি কিছু কিছু কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরাও থাকবে। আমরা যেন নির্বাচন কমিশন ভবন থেকেই নির্বাচনি তৎপরতাগুলো দেখতে পারি, এজন্য এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে, কয়টি কেন্দ্রে ইভিএম ব্যবহার করা হবে; সেটি এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি।’
নির্বাচন কমিশন সচিব বলেন, ‘এই নির্বাচন ঘিরে নির্বাচন কমিশন যে সমস্ত পদক্ষেপ নিয়েছে সেগুলো ইতিবাচক, অত্যন্ত ভালো। সুষ্ঠু-সুন্দর, নিরপেক্ষ ও ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারে এর জন্য যা যা করা দরকার নির্বাচন কমিশন তাই করবে।’
প্রার্থীদের আচরণবিধি ভঙ্গসংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, ‘যদি আমাদের নলেজে আসে, আমরা তাৎক্ষণিকভাবে যে সমস্ত প্রার্থী শোভাযাত্রা করছে ও নির্বাচন আচরণবিধি ভঙ্গ করছে; তাদের সতর্ক করে দেবো।’
তিনি বলেন, ‘গাজীপুরে ১৫ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এখন মাঠে আছেন। তারা যদি আচরণবিধি ভঙ্গের খবর পান, অবশ্যই জরিমানাসহ অন্যান্য আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
হেলালুদ্দীন বলেন, ‘নির্বাচনে আইনশৃংখলা রক্ষায় পুলিশ সুপারসহ আইজিপিকে অনুরোধ করা হয়েছে। কোনও ধরনের অপতৎপরতা, অবৈধ অস্ত্র, দাগী সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করার জন্য অনুরোধ জানিয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে বাড়তি আইনশৃংখলা বাহিনী মোতায়েন করা হবে।’








