গোপালগঞ্জে কলেজ ছাত্র নিহতের জের ধরে বাস পোড়ানো ও মহাসড়ক দিয়ে অবৈধ যান চলাচল বন্ধের দাবিতে জেলা বাস মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদের ডাকা অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট দ্বিতীয় দিনের মতো চলছে।
সোমবার (৯ মার্চ) ভোর ৬টা থেকে জেলার অভ্যান্তরীন সড়কগুলোতে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ ছিল। দ্বিতীয় দিন মঙ্গলবার সকাল থেকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কসহ জেলার সব রুটে যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। পরিবহন শ্রমিকরা ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে বেড়িকেড দিয়ে পিকেটিং ও বিক্ষোভ করছে। ফলে গোপালগঞ্জের উপর দিয়ে খুলনা, বাগেরহাট, নাজিরপুর ও পিরোজপুরসহ বেশ কয়েকটি জেলায় কোনও বাস যেতে পারছে না। এ কারণে সাধারণ যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছে। স্থানীয়রা ইজিবাইক, ভ্যানে ও রিকশায় করে অথবা হেঁটে নিজ নিজ গন্তব্যে যাচ্ছে। অনেকে আবার গন্তব্যে যেতে না পেরে ফিরে যাচ্ছেন।
প্রসঙ্গত, গত রবিবার সকালে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের সদর উপজেলার গোপিনাথপুর এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস রাস্তার ওপর উল্টে গেলে পলিটেকনিকের এক শিক্ষার্থীসহ দুইজন নিহত হয়। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীরা ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ করে কয়েকটি যানবাহন ভাঙচুর করে ও দুর্ঘটনাকবলিত বাসটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়।
পরে ওই দিন সন্ধ্যায় গোপালগঞ্জ পুলিশ লাইনস বাসস্ট্যান্ডে জেলা বাস মালিক সমিতির সভাপতি আবুল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে অনিদৃষ্টিকালের পারিবহন ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: সুনামগঞ্জের হাওর এলাকায় বোরো ক্ষেতে ব্লাস্টের আক্রমণে দিশেহারা কৃষক








