ঢাকার কেরানীগঞ্জের জিনজিরায় পুলিশের এক সোর্সকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। তার নাম মো. রিপন হোসেন (২৫)। বৃহস্পতিবার (২৬ এপ্রিল) রাত ১০টায় জিনজিরার বালুর মাঠ এলাকার একটি ঘর থেকে নিহতের লাশ উদ্ধার করে কেরানীগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ।
কেরানীগঞ্জ মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শোয়েব মোল্লা বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
নিহতের স্ত্রী খুকী বেগম জানান, গত বুধবর রাত ৯টায় অজ্ঞাতনামা ৪-৫ জন যুবক তার স্বামী রিপনকে বাসা থেকে ডেকে নেয়। পরে আর তার স্বামী বাসায় ফেরেনি। একাধিকবার তার মোবাইলফোনে কল করা হলেও ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। বিভিন্ন জায়গায় অনেক খোঁজাখুঁজি করে তাকে না পেয়ে কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় বৃহস্পতিবার সকালে একটি জিডি করা হয়। সন্ধ্যার দিকে আমার মোবাইল ফোনে অজ্ঞাত এক ব্যক্তি জানায় রিপন জিনজিরা বালুর মাঠে ভাড়াটিয়া সোলেমানের ঘরের ভেতর আছে। এতে ঘটনাটি আমি থানা পুলিশকে অবহিত করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই ঘরের তালা ভেঙ্গে ঘরের গলাকাটা অবস্থায় আমার স্বামীর লাশ উদ্ধার করে।
তিনি আরও জানান, কয়েক দিন আগে তার স্বামীর সঙ্গে সোলেমানের ঝগড়া হয়েছিল। নিহত রিপন জিনজিরা হাফেজ রোডে হীরাদের বাড়িতে ভাড়া থাকতো। তার বাবার নাম আব্দুর রহিম মোল্লা। বাড়ি শরিয়তপুর জেলার জাজিরা থানার দক্ষিণ কেফা গ্রামে।
কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ওসি শাখের মোহাম্মদ যুবায়ের বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘নিহত রিপন একটি হত্যা মামলার আসামি। সে কিছুদিন আগে জামিনে ছাড়া পেয়ে পুলিশের সোর্সের কাজ করতো। যারাই এই হত্যাকাণ্ডটি ঘটিয়েছে, তাদেরকে দ্রুত গ্রেফতারের ব্যবস্থা করা হবে।’








