নারায়ণগঞ্জের রুপগঞ্জে অস্ত্রের মুখে স্বামীর হাত-পা বেঁধে স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে সfলাউদ্দিন নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত (১১ মে ) শুক্রবার রাতে উপজেলার তাবারো পৌরসভার দিঘীবরাব বৌবাজার এলাকায় এ ধর্ষনের ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রুপগঞ্জ থানার (ওসি ) মনিরুজ্জামান ।
রূপগঞ্জ থানার ওসি মনিরুজ্জামান জানান, ওই গৃহবধূর স্বামীর বাড়ি কুড়িগ্রাম জেলার কাছাকাটা থানার বেগুনিপাড়া এলাকায়। তারা স্বামী-স্ত্রী স্থানীয় একটি মেলামাইন কারখানায় কাজ করে এবং উপজেলার তারাব পৌরসভার বরাব বাজার এলাকায় বাসাভাড়া নিয়ে বসবাস করে আসছেন। গত (১১ মে ) শুক্রবার ভোর রাতে তারা কুড়িগ্রাম থেকে ফিরে রূপগঞ্জের বরাব বাসষ্টেশনে এসে নামেন। বাসায় যাওয়ার পথে দিঘী বরাব বৌবাজার এলাকায় পৌছা মাত্র মোগরাকুল এলাকার মৃত কুদ্দুস আলীর ছেলে আবুল হাসেম ও দিঘী বরাব বৌবাজার এলাকার দ্বীন ইসলামের ছেলে সালাউদ্দিন তাদের স্বামী-স্ত্রীর গতিরোধ করে। এক পর্যায়ে তারা স্বামীর হাত-পা বেঁধে ফেলে। পরে ধারালো অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তার স্ত্রীকে সালাউদ্দিন ও আবুল হাসেম ধর্ষণ করে। ধর্ষণের পর ওই নারীর স্বর্ণের নাক ফুল ও দুটি মোবাইল ফোন লুটে নেয়। এ ঘটনায় নিযার্তনের শিকার গৃহবধূ বাদী হয়ে রবিবার রাতে রুপগঞ্জ থানায় দুইজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। সোমবার দুপুরে পুলিশ ধর্ষক সালাউদ্দিনকে গ্রেফতার করে। সালাউদ্দিন দিঘীবরাব বৌবাজার এলাকার দ্বীন ইসলামের ছেলে।
ওসি জানান,‘সালাউদ্দিন গণধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন। বাকি আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।’








