নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় একটি পোশাক কারাখানার মালিক আব্দুল মতিনের (৪৫) লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (৯ জুন) ভোরে নগরীর মাসদাইর এবি প্লাজার সপ্তম তলার নিজ ফ্ল্যাট থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
নারায়ণগঞ্জ (ক সার্কেলের)অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শরফুদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নিহতের একটি সুইসাইড চিরকুট পাওয়া গেছে। সেখানে লেখা রয়েছে তার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
নিহত আব্দুল মতিন নগরীর পুলিশ লাইন্স এলাকায় চৌধুরী কমপ্লেক্সের একটি ফ্লোর ভাড়া নিয়ে এনায়েত ফ্যাশন (এনএম) নামের একটি পোশাক কারখানা পরিচালনা করে আসছিলেন।
পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শরফুদ্দিন জানান, আব্দুল মতিন ব্যবসা করতে গিয়ে কয়েক কোটি টাকা ঋণগ্রস্থ হয়ে পড়েন। এই ঋণের টাকার জন্য মানুষ চাপ দিয়ে আসছিল। বিষয়টি তার বড় ভাই কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে সমাধান করার চেষ্টাও করছিলেন। কিন্তু, তারপরও কেন তিনি আতœহত্যার পথ বেছে নিলেন— তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
নিহতের স্ত্রী নাদিরা আক্তার রেখা জানান, শুক্রবার রাতে ফ্ল্যাটের একটি রুমে তার স্বামী ঘুমিয়ে পড়েন। রাতে সেহরি ও ফজরের নামাজ পড়ার জন্য ঘুম থেকে ওঠেননি। তার স্বামী কত টাকা ঋণগ্রস্থ ছিলেন, তা কিছুই তাদেরকে বলেননি।
নিহতের বড় ভাই নজরুল ইসলাম বলেন, ‘ঋণসহ বিভিন্ন সমস্যায় থাকার পরও মতিন আমাদের কিছু বলতো না। গত বছর মতিনের দেড় কোটি টাকার ঋণ আমি পরিশোধ করে দিয়েছিলাম। কিন্তু, তারপরও কেন সে আতœহত্যা করলো— বুঝতে পারছিনা।’








