সরকার শিক্ষার্থীদের ৯ দফা দাবি মেনে নেওয়ার পরও একটি বিশেষ শক্তি এখন মাঠে আছে। ছাত্রদের বুকের ওপর দাঁড়িয়ে তারা ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য দেশকে অস্থিতিশীল করছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম শামীম ওসমান।
শনিবার (৪ আগস্ট) নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের নাসিক ১নং ওয়াডের্র মিজমিজি এলাকায় নির্বাচনি মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। শামীম ওসমান বলেন, ‘দাবি মেনে নেওয়ার পর প্রথম যেসব ছাত্ররা মুভমেন্ট করেছিল তারা সরে গেছে। কিন্তু এখন যারা মাঠে নেমেছে তাদের পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য আছে। প্রকৃত শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনের সঙ্গে এখন স্কুলের পোশাক পরে ঢুকে পড়ছে ষড়যন্ত্রকারীরা। তারা মরণ কামড় দিতে চায়।’
শামীম ওসমান উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ‘গতকাল (শনিবার) মোহাম্মদপুরে শুধু একটি টেইলার্স থেকেই আড়াই হাজার শিক্ষার্থীর ইউনিফর্ম ডেলিভারি নেওয়া হয়েছে। এরা কারা? নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের গোদনাইলে আমার নির্বাচনি এলাকায় একটি টেইলার্স থেকে আড়াইশ’ নতুন ইউনিফর্ম বানিয়ে রাতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং এদেরকে মাঠে নামানো হচ্ছে। এদের সঙ্গে জামায়াত শিবির, স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি এবং কিছু বামপন্থী দলও যুক্ত হয়েছে। এদের স্বার্থ কী?’
তিনি বলেন, ‘ছোট ছোট শিক্ষার্থীদের গিনিপিক হিসেবে ব্যবহার কিনা সে ব্যাপারে আমার সন্দিহান লাগছে। এই ইউনিফর্ম বানানোর পেছনে নির্দিষ্ট কোন কারণ আছে। ছাত্রদের মনোবল ভেঙে দেওয়া তাদের উদ্দেশ্য হতে পারে। ট্রাকে করে বিভিন্ন পয়েন্টে অপিরিচিত চেহারার বহিরাগতদের মাঠে নামানো হচ্ছে। আমি নিজেও তাদের কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলেছি। আমার কাছে মনে হয়নি তারা ছাত্র। শামীম ওসমান এই পরিস্থিতির প্রতি গুরুত্ব আরোপ করে অভিভাবদের পাশিাপাশি সর্বস্তরের মানুষকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। পাশাপাশি রাস্তায় গাড়ির লাইসেন্স পরীক্ষার সময় সেই ছাত্রটির পরিচয়পত্র দেখে আসেলই সে ছাত্র কিনা তা নিশ্চিত হওয়ার পরামর্শ দেন।’








