কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় শেষ সময়ে জমে উঠছে কোরবানির পশুর হাট। জেলার ১৩ উপজেলায় এক সপ্তাহ আগে থেকেই বেচাকেনা শুরু হয়েছে কোরবানির পশু। যা চলবে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত। এ বছর শোলাকিয়ায় মাঝারি সাইজের গরুর চাহিদা বেশি থাকায় বড় গরুর তুলনায় সেগুলোর দামও বেশি। এ সুযোগে বিক্রেতারা সর্বোচ্চ দামে পশু বিক্রির চেষ্টা করছেন।
সরজমিনে দেখা গেছে, শোলাকিয়া রবিবার সকাল থেকেই জমে উঠেছে পশুর হাট। জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে পিকআপ ও নসিমনে করে ভোর থেকে গরু ও ছাগল আনছেন। বেচাকেনা জমে উঠেছে বেশ। এখানে মাঝারি গরুগুলো ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা ও বড় ষাঁড়গুলো লাখ টাকার ওপরে বিক্রি হচ্ছে। এখানে সকাল থেকে গরুর আমদানি শুরু হয়, বিক্রি হয় মধ্যরাত অবধি। তবে গরু রাখার সমস্যার কারণে ক্রেতারা সাধারণত ঈদের আগের দুদিন থেকেই গরু কেনার চেষ্টা করেন।
গরু বিক্রেতারা বলছেন, একটি গরু লালন-পালন করতে বছরে অনেক টাকা খরচ পড়ে। সেই সঙ্গে ভুসি, খৈল থেকে শুরু করে প্রতিটি গোখাদ্যেরই দাম বেশ চড়া। এসব কারণে গরুর দাম কিছুটা বেশি।
ক্রেতারা বলছেন, এবার হাটগুলোতে গত বারের তুলনায় গরুর দাম অনেক বেশি। গরুর আমদানি বেশি থাকলেও দাম কমছে না।
জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজমুল ইসলাম সোপান বলেন, ‘আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্যদের মাধ্যমে পশুর হাটে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। আর সাধারণ মানুষ যেন জাল টাকার প্রতারক থেকে বাঁচতে পারে তার জন্য ব্যাংক কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি জালটাকা শনাক্ত করতে বেশ কয়েকটি মেশিন বসানো হয়েছে। সব মিলিয়ে এখন একটা স্বস্তিকর পরিবেশ বিরাজ করছে।’








