দক্ষিণবঙ্গের প্রবেশদ্বার মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী নৌরুটে মঙ্গলবার সকাল থেকেই ঈদে ঘরমুখি যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। গতকাল একটি রো রো ফেরিসহ ১৭টি ফেরি চললেও আজ (মঙ্গলবার) ১৬টি ফেরি চলছে। একটি ডাম্প ফেরি নষ্ট হয়ে গেছে। ঘাটে অপেক্ষায় আছে কমপক্ষে ৫০০ যানবাহন। এরমধ্যে ৭০-৮০টি যাত্রীবাহী বাস আছে। এছাড়াও, অসংখ্য মোটরসাইকেল দেখা গেছে ফেরি পারাপারের অপেক্ষায়। এদিকে বৈরি আবহাওয়ার কারণে ফেরি চলাচলও ব্যাহত হচ্ছে।
বিআইডাব্লিউটিসি'র শিমুলিয়া ঘাটের উপমহাব্যবস্থাপক শাহ মো. খালেদ নেওয়াজ জানান, নৌরুটে বর্তমানে রো রো ফেরি বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীরসহ ১৬টি ফেরি চলাচল করছে। বৈরি আবহাওয়ার কারণে রাতে যানবাহনের লোড নিয়ে ফেরি চালানো যায়নি। যেহেতু রাতে লঞ্চ সার্ভিস বন্ধ ছিল তাই ফেরিতে শুধু যাত্রী পার করা হয়েছে। সোমবার সকাল থেকে যানবাহনের যে চাপ ছিল তা আজও অব্যাহত আছে। ছোট বড় গাড়ির পাশাপাশি শত শত মোটরসাইকেল ফেরি পার হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় কমপক্ষে ১ হাজার পাঁচশ’ মোটরসাইকেল পার করা হয়েছে। এখনও অসংখ্য মোটরসাইকেল ঘাট এলাকায় দেখা যাচ্ছে।’
এদিকে, লঞ্চ ও সীবোটে চেপে অসংখ্য যাত্রীরা নদী পার হচ্ছে। অতিরিক্ত যাত্রী বহনের অভিযোগ পাওয়া গেলেও তা অস্বীকার করেন বিআইডাব্লিউটিএ’র এই কর্মকর্তা।
বিআইডাব্লিউটিএ'র শিমুলিয়া ঘাট পরিদর্শক মো. সোলেমান জানান, সকাল থেকেই যাত্রীদের চাপ লক্ষ্য করা গেছে লঞ্চ ঘাট এলাকায়। তবে, লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রী নেওয়া হচ্ছে না।’
এ ব্যাপারে কথা বলার জন্য লৌহজং উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মনির হোসেনের মোবাইলে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।








