সাভারের হেমায়েতপুরে বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনায় খাইরুল ইসলাম (৪২) নামে এক পরিবহন শ্রমিককে শনিবার রাতেই আটক করে পুলিশ। সে পুলিশের কাছে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে। এছাড়াও ওই কিশোরীকে উদ্ধার করে রবিবার সকালে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠানো হয়েছে।
শনিবার রাতে সাভারের হেমায়েতপুরের জয়নাবাড়ি এলাকার মাহাবুব রহমানের ভাড়া বাড়িতে এই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।
নির্যাতনের শিকার ওই কিশোরীর পরিবার জানায়, প্রতিবন্ধী কিশোরী পরিবারের সঙ্গে সাভারের হেমায়েতপুর এলাকায় ভাড়া বাড়িতে থাকে। তার মা পোশাক কারখানায় চাকরি করেন। শনিবার সন্ধ্যায় কিশোরীকে বাড়িতে একা পেয়ে এক পরিবহন শ্রমিক তার ওপর পাশবিক নির্যাতন চালায়। এ সময় প্রতিবেশী ভাড়াটিয়ারা বিষয়টি টের পেয়ে খাইরুল ইসলামকে আটক করে। পরে কিশোরীর মা রাতে বাড়িতে ফিরে ধর্ষণের ঘটনা সাভার মডেল থানা পুলিশকে জানায়।
এ ব্যাপারে সাভার মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সাজ্জাদুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ বখাটে ওই পরিবহন শ্রমিককে আটক করে থানা নিয়ে আসে। এ ঘটনায় কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে সাভার মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন বলে তিনি জানান।








