নরসিংদী-৩ (শিবপুর) আসনে ৩০ ডিসেম্বর ভোটগ্রহণের দিন নৌকার এজেন্ট মিলন মিয়া (৪৫) নিহতের ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে। বুধবার (০২ ডিসেম্বর) নিহত মিলনের স্ত্রী পারভীন বেগম বাদী হয়ে শিবপুর মডেল থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
মামলায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) প্রার্থী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য সিরাজুল ইসলাম মোল্লা ও তার ছোট ভাই উপজেলা যুবলীগের সভাপতি তাজুল ইসলাম মোল্লাসহ ৮ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করা হয়। এছাড়া মামলায় আরও ১৫/২০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।
শিবপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে দুই আসামির নাম প্রকাশ করলেও তদন্তের স্বার্থে বাকি আসামিদের নাম প্রকাশ করেননি।
পুলিশ জানায়, মামলার বিবরণে উল্লেখ করা হয়, ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণের দিন স্বতন্ত্র প্রার্থী সিরাজুল ইসলাম মোল্লা ও তার ভাই তাজুল মোল্লাসহ তাদের লোকজন কুন্দারপাড়া কেন্দ্রে জোরপূর্বক সিংহ প্রতীকে সিল দেওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় নৌকার এজেন্ট মিলন মিয়া তাকে বাধা দেয়। এতে সিংহ প্রতীকের প্রার্থী সিরাজুল ইসলাম মোল্লা ও তার লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে মিলনকে জোরপূর্বক কেন্দ্রের বাইরে নিয়ে গিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করে।
এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে স্বতন্ত্র প্রার্থী সিরাজুল ইসলাম মোল্লা বলেন, ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসাবশত এ মামলায় আমাকে এবং আমার পরিবারকে জড়ানো হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে তারা নিজেরাই এ হত্যার ঘটনা ঘটিয়েছে।
উল্লেখ্য, ৩০ ডিসেম্বর রবিবার দুপুর ১২টার দিকে নরসিংদী-৩ (শিবপুর) নির্বাচনি এলাকার কুন্দারপাড়ার ভোটকেন্দ্রের কাছ থেকে পুলিশ নৌকার এজেন্ট মো. মিলন মিয়ার (৪৫) গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে। নরসিংদী-৩ (শিবপুর) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ছিলেন জহিরুল হক ভূঁইয়া মোহন (নৌকা)। এ আসনে অপর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সিরাজুল ইসলাম মোল্লা।








