নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি নাজমুল হাসান সবুজের হাতের রগ কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা যুবলীগের ত্রাণবিষয়ক সম্পাদক বাচ্চু মিয়া ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে। সোমবার রাতে উপজেলার ভুলতা ইউনিয়নের পাচাঁইখা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এসময় নাজমুল হাসানের বসতবাড়িতে হামলা ও লুটপাটসহ আরও কয়েকজনকে কুপিয়ে জখমেরও অভিযোগ করে নাজমুলের পরিবার।
আহত ছাত্রলীগ নেতার ভাই রাসেল মিয়া জানান, তার ছোট ভাই উপজেলা ছাত্রলীগের বর্তমান সহ-সভাপতি। সে স্থানীয় মনির মেম্বারের একটি জলাশয়ে বালি ভরাটের কাজ করছিলেন। সোমবার সকালে কাজে বাধা দিয়ে রাসেলের কাছে চাঁদা দাবি করেন উপজেলা যুবলীগের ত্রাণবিষয়ক সম্পাদক বাচ্চু মিয়া। পরে সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরে সবুজ বাচ্চুর ছেলে এমরানকে কাজে বাধা দেওয়ার কারণ জানতে চায়। এনিয়ে উভয়ের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক হয়। এ ঘটনার জেরে রাত পৌনে ৮টার দিকে বাচ্চুর নেতৃত্বে তার সহযোগী ইমরানসহ ১০-১২ জন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সবুজদের বাড়িতে হামলা চালায়। বাড়িতে ঢুকেই ভাঙচুর শুরু করে। একপর্যায়ে সবুজকে ঘর থেকে বের করে এনে কুপিয়ে তার বাম হাতের বাহুর রগ কেটে দেয়। এ সময় তাকে উদ্ধার করতে সবুজের ভাই মানিক ও জাহিদুল এবং ভাবি মমতাজ এগিয়ে এলে হামলাকারীরা তাদের পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম করে। হামলাকারীরা নগদ টাকাসহ অন্তত সাত লাখ টাকার মালামাল লুট করেছে বলে দাবি রাসেল মিয়ার।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত ইমরান হোসেন বলেন, ‘নাজমুল হাসান সবুজ দলীয় প্রভাব খাটিয়ে কাউকে কিছু না বলে অন্যের জমির ওপর দিয়ে বালুর পাইপ লাইন স্থাপন করছিল। আমরা তাকে জিজ্ঞাসা করতে গেলে, সে আমাদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করে। এ নিয়ে তার সঙ্গে আমার লোকজনের ঝগড়া হয়েছে। তার লোকজন আমার ছোট ভাইয়ের পা-হাত ভেঙে ফেলেছে। সে বর্তমানে ঢাকায় পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি আছে।’
এ ব্যাপারে রূপগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহামুদুল ইসলাম বলেন, ‘দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় ঘটেছে। এ বিষয়ে উভয় পক্ষ থেকেই থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। আমরা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবো।








