২০১০ সালের জুনে ‘বিদ্যালয়বিহীন এক হাজার ৫০০ গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন’ নামে প্রকল্প হাতে নেয় সরকার। ওই প্রকল্পের আওতায় গোপালগঞ্জের পাঁচটি উপজেলায় ২৮টি প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মাণ করা হয়। তবে, শিক্ষক সংকটে এসব বিদ্যালয় পুরোপুরি চালু করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।
জানা যায়, সদর উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়নের তিনটিসহ পাঁচটি বিদ্যালয় ভবন নির্মাণ ২০১৪ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে সম্পন্ন হয়। কিন্তু এখনও কোনও শিক্ষক নিয়োগ হয়নি। ফলে ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম। যদিও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বলছেন, দ্রুতই চালু করা হবে এসব বিদ্যালয়।
স্থানীয়রা জানান,বিদ্যালয় চালু না হওয়ায় জালালাবাদ ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের শিক্ষার্থীদের প্রায় তিন কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে পার্শ্ববর্তী গ্রামের বিদ্যালয়ে যেতে হয়। এতে শিশুদের লেখাপড়ায় বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। বিদ্যালয় নির্মাণ হলেও চালু না হওয়ায় হতাশ স্থানীয়রা। কর্তৃপক্ষের কাছে বারবার গিয়েও কোনও প্রতিকার মিলছে না। এছাড়া দীর্ঘদিন ধরে অব্যবহৃত থাকায় নষ্ট হচ্ছে ভবনগুলোর চেয়ার, টেবিল, বেঞ্চসহ প্রয়োজনীয় সামগ্রী।
জেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২৮টি স্কুলের মধ্যে কোনও শিক্ষক নেই (চালু হয়নি) পাঁচটিতে, একজন করে আছেন ৯টি স্কুলে, দু’জন করে একটিতে, তিন জন করে ছয়টিতে, চার জন করে তিনটিতে এবং পাঁচ জন করে শিক্ষক আছেন চারটি স্কুলে।
এ বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আনন্দ কিশোর সাহা বলেন, ‘দ্রুত এ সংকট কাটিয়ে উঠবো। আগামীতে নিয়োগ হলে প্রয়োজনীয় সংখ্যক শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে, এসব বিদ্যালয় পুরোদমে চালু করা হবে।’








