টিআইবি’র বিবৃতি প্রত্যাখ্যান জাবি প্রশাসনের

জাবি প্রতিনিধি
০১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১০:৫৬আপডেট : ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১০:৫৮

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) বিবৃতিকে ‘মনগড়া’ ও ‘ভিত্তিহীন’ অ্যাখ্যা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

শনিবার (৩১ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ অফিস থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে টিআইবির বিবৃতি প্রত্যাখ্যান করা হয়।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের কথা উল্লেখ করে গত ২৯ আগস্ট টিআইবি এক বিবৃতিতে জানায়, ‘জাবির ছাত্রাবাস নির্মাণসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে স্থান নির্ধারণ, গাছ অপসারণ, উন্নয়ন কাজের দরপত্র-প্রক্রিয়ায় অনৈতিক লেনদেন ও ভাগবাটোয়ারাসহ গুরুতর অনিয়ম, স্বচ্ছতার ঘাটতি ও দুর্নীতির অভিযোগ এনে এর বিরুদ্ধে বিচারের দাবিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করেছেন।’

শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে একাত্মতা প্রকাশ করে জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকি ‘অপরিকল্পিত উন্নয়ন’ কার্যক্রমে অস্বচ্ছতা দূর ও দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত দাবি করে টিআইবি।

টিআইবির বিবৃতির জবাবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘ছাত্র-শিক্ষকদের ক্ষুদ্র একটি অংশের কল্পিত ও মনগড়া অভিযোগের ওপর ভিত্তি করে টিআইবি যে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে, তা অনাকাঙ্ক্ষিত ও দুঃখজনক। এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে।’

বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়, ‘উন্নয়ন প্রকল্পে স্বচ্ছতার কোনও ঘাটতি নেই। প্রকল্পের আওতায় যেসব স্থাপনা গড়ে তোলা হবে, তাতে জীববৈচিত্র্য ও সুষ্ঠু পরিবেশ অক্ষুণ্ন রাখার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়েছে। প্রকল্প ঘিরে অনৈতিক লেনদেনের অভিযোগও ভিত্তিহীন।’

বিজ্ঞপ্তিতে আরও  বলা হয়, ‘১৪৪৫ কোটি টাকার এই অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পে কোনও কাজ অপরিকল্পিতভাবে গ্রহণ করা হয়নি। নির্মাণ কাজের সম্ভাব্যতা যাচাই, ডিজিটাল সার্ভে, মাস্টারপ্ল্যান, স্থান নির্বাচন, সয়েল টেস্ট, আর্কিটেকচারাল ডিজাইনসহ সব স্তরের কাজ বুয়েটের অধ্যাপক শেখ আহসান উল্লাহ মজুমদারের নেতৃত্বে সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া, বুয়েটের স্থাপত্য ও পরিকল্পনাবিদদের আরও একটি টিম এই উন্নয়ন মহাপরিকল্পনার ফিজিবিলিটি স্টাডি করেছে। এই স্টাডি গ্রুপে পরিবেশবিদ, প্রাণিবিদ্যাবিদ, ভূগোলবিদ, ইকোনমিক্স এক্সপার্ট ও স্থাপত্যবিদরা রয়েছেন।’

এতে আরও বলা হয়, ‘জলাধার, বন্যপ্রাণি ও প্রাণ-প্রকৃতি গবেষণা এলাকা এবং সংরক্ষিত বনভূমি বাদে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভৌত অবকাঠামো নির্মাণের জন্য মাত্র ২১ শতাংশ ভূমি অবশিষ্ট রয়েছে। কাজেই যেখানেই অবকাঠামোগত উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হোক না কেন, সেখানেই কিছু গাছ কাটা পড়বে। একনেকে অনুমোদিত প্রকল্পের বিরোধিতা করা, অথবা এ সম্পর্কে বিভ্রান্তি ছড়ানো মোটেই উচিত নয়।’

 

 

 

/এপিএইচ/
সম্পর্কিত
বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের লেনদেন ব্যাংক ও এমএফএসের জন্য উন্মুক্ত করার সুপারিশ 
বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের থেকে বেতন নিলে শাস্তির মুখে পড়বে প্রতিষ্ঠান
যে কারণে বেসরকারি স্কুল-কলেজে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের নিয়োগ দিচ্ছে সরকার
সর্বশেষ খবর
মূল্যস্ফীতির আগুনে পুড়ছে মানুষ, বাড়ছে বিদ্যুতের দাম এরপর কী
মূল্যস্ফীতির আগুনে পুড়ছে মানুষ, বাড়ছে বিদ্যুতের দাম এরপর কী
থানায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে নির্যাতনের অভিযোগ, ৩ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার
থানায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে নির্যাতনের অভিযোগ, ৩ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার
কট্টরপন্থি ইহুদিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ নেতানিয়াহুর
কট্টরপন্থি ইহুদিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ নেতানিয়াহুর
সংকোচে বিহ্বল নয়, আত্মবিশ্বাসে দৃপ্ত হোক নারী-কিশোরী 
সংকোচে বিহ্বল নয়, আত্মবিশ্বাসে দৃপ্ত হোক নারী-কিশোরী 
সর্বাধিক পঠিত
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম