ঢাকার কেরানীগঞ্জের শুভাঢ্যা খালের শাখা চুনকুটিয়া -শুভাঢ্যা কালিবাড়ি খালের উদ্ধার কাজ শুরু হয়েছে। দীর্ঘদিন ময়লা-আবর্জনায় ভর্তি ছিল এই খাল। এছাড়া খালের দুই পাড়ের মানুষগুলো জায়গা দখল করায় খালটির অস্তিত্ব প্রায় বিলীন হতে চলছিল।
সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকাল পাঁচটায় শুভাঢ্যার চুনকুটিয়া এলাকায় খালটি পরিদর্শনে আসেন সদ্য যোগদানকারী কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার অমিত দেবনাথ। এ সময় তার সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন- কেরানীগঞ্জ রাজস্ব সার্কেল (দক্ষিণ) সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রমথ রঞ্জন ঘটক, ভুমি অফিসের নাজির মোহাম্মদ মজিরুল হক, সার্ভেয়ার মিলন শেখ, শুভাড্যা ভূমি অফিসের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মো. হাসান আহম্মেদ প্রমুখ।
এ সময় উপস্থিত এলাকাবাসীকে উদ্দেশ্য করে কেরাণীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার অমিত দেবনাথ বলেন, ‘আমরা খালের দু’পাশের সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে চাই। সে জন্য এলাকাবাসীর মাঝে সচেতনতার বৃদ্ধিতে নতুন প্রজন্মকে এগিয়ে আসতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এটা দিয়েই আমি শুরু করতে চাই। এজন্য এলাকাবাসীর সহযোগিতা চাই।’ এ সময় তিনি খাল তীরবর্তী সব বাড়ি মালিক ও গার্মেন্টস কারখানার মালিকদের নিজ নিজ উদ্যোগে সব জানালায় নেট লাগানোর নির্দেশ দেন।
খাল সংস্কার কাজের পরিচালনায় থাকা শুভাঢ্যা ৪নং ওয়ার্ডের মেম্বার মুনতাসীমুর রহমান মিলন বলেন, ‘সংসদ সদস্য বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপুর নির্দেশনা অনুযায়ী যে ১৯টি খাল উদ্ধারের পরিকল্পনা রয়েছে তারমধ্যে এটি একটি খাল।’
তিনি আরও বলেন, ‘কেরানীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদের নির্দেশে এবং উপজেলা পরিষদের অর্থায়নে খালের উদ্ধার কাজ শুরু হয়েছে।’
চুনকুটিয়া এলাকার বাসিন্দা কামাল আহমেদ লিটন জানান, খালটি ভরাট হওয়ায় বৃষ্টি হলেই সারা রাস্তায় কোথাও হাঁটু আবার কোথাও বা কোমড় পানি দেখা যায়। ফলে সাধারণ জনগণের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়। তাই খালটি দ্রুত সংস্কারের জন্য এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে বার বার দাবি জানানো হয়েছিল।
কেরানীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ বলেন, ‘খালের আশপাশের সব অবৈধ স্থাপনা ভেঙে ফেলা হবে। দ্রুতই খালটি উদ্ধার করে জলাবদ্ধতা দূরীকরণসহ এলাকাবাসীর সুবিধার্থে সব সু-ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’








