বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার রাজাকারকে মুক্তিযোদ্ধা আর মুক্তিযোদ্ধাকে রাজাকার বানাচ্ছে। তারা যে মুক্তিযুদ্ধের সরকার সরকার করে, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ইতো বানিয়েছেন খালেদা জিয়া। তিনি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা, স্বাধীনতার ঘোষক। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে ছিলাম, মুক্তিযুদ্ধের যে চেতনা গণতন্ত্রের চেতনা, সে চেতনাকে নিয়ে আমরা লড়াই করছি।’
বৃহস্পতিবার (১৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও সাবেক খাদ্যমন্ত্রী আব্দুল মোমেন খানের ৩৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত দোয়া মাহফিল ও স্মরণসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে মুক্ত না করলে এদেশে গণতন্ত্রমুক্ত হবে না। কারণ গণতন্ত্র এবং খালেদা জিয়া অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। খালেদা জিয়া সেই নেত্রী যিনি সারাজীবন গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম ও লড়াই করেছেন। তিনি স্বৈরাচারকে পরাজিত করে সংসদীয় গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠা করেছেন।’
বর্তমান সরকারকে অবৈধ সরকার উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ‘বিজয় অবশ্যই হবে, বাংলাদেশের মানুষ কখনও কোনও আন্দোলনে পরাজিত হয়নি। আজ আমরা ন্যায়ের পথে ও সত্যের পক্ষে আছি। আমরা খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে গণতন্ত্রকে মুক্ত করতে সক্ষম হবো।
শহরের সিএন্ডবি রোডের একটি কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন, জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব।
এ সময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- বিএনপির মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক জয়নুল আবেদীন, বিএনপির বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আশরাফ উদ্দিন বকুল, সদস্য কামরুজ্জামান রতন, ফেরদৌস আহমেদ খোকন, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মেজবাহ উদ্দিন ইরানসহ অনেকে।








