বিভাগের অনুমোদনের দাবিতে আজ রবিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) চতুর্থ দিনের মতো আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন গোপালগঞ্জ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থীরা। যৌক্তিক মনে করে অন্য বিভাগের শিক্ষার্থীরাও আজ তাদের সঙ্গে আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন। এতে নতুন মাত্রা পেয়েছে আন্দোলন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন তারা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ইটিই (ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং) বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘ইতিহাস বিভাগের দাবি যৌক্তিক। এ কারণে আমাদের বিভাগসহ অন্য বিভাগের শিক্ষার্থীরা তাদের আন্দোলনে সমর্থন জানিয়েছে। তারা যতদিন আন্দোলন করবে, আমরা পাশে থাকবো।’
শিক্ষার্থীরা বলছেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) ইতিহাস বিভাগের অনুমোদন না দেওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। তাদের স্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠেছে ক্যাম্পাস।
এদিকে, রবিবার বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের সামনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন শিক্ষার্থীরা। সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন ইতিহাস বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র কারিমুল হক। তিনি দাবির পক্ষে নানা যুক্তি তুলে ধরেন এবং দাবি মেনে নেওয়ার আহ্বান জানান।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানিয়েছে, ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষ থেকে ইউজিসির অনুমোদন ছাড়াই যাত্রা শুরু করে ইতিহাস বিভাগ। তিন শিক্ষাবর্ষে বিভাগটিতে এখন ভর্তি রয়েছেন ৪১৩ জন শিক্ষার্থী। বিভাগটির অনুমোদন বিষয়ে গত বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনে (ইউজিসি) এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ইতিহাস বিভাগে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তি না করার নির্দেশ দেওয়া হয়। ভর্তি ৪১৩ শিক্ষার্থীর অনুমোদন দেওয়া হলেও ইতিহাস বিভাগের অনুমোদন দেওয়া হয়নি। ওই দিন রাতে এ খবর ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে পড়লে শীত উপেক্ষা করে শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নেন। এ সময় তারা ইউজিসির নির্দেশনা প্রত্যাখ্যান করে প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেন। এরপর থেকে ইতিহাস বিভাগের অনুমোনের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা।








