মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাট দিয়ে ফেরিতে নদী পার হয়ে শত শত শ্রমজীবী মানুষ ঢাকার দিকে আসছেন গত কয়েকদিন ধরেই। জানাগেছে তাদের বেশিরভাগই রাজধানী, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জের গার্মেন্টকর্মী। শুক্রবার (১ মে ) সকাল থেকে শিমুলিয়া ঘাটে এই দৃশ্য দেখা গেছে।
স্থানীয়রা জানায়, গত এক সপ্তাহ ধরে প্রতিদিন শ্রমজীবী মানুষের ঢল বাড়ছে। তারা বেশীরভাগই গার্মেন্টকর্মী। তারা দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকে শিমুলিয়া ঘাটে আসছে। করোনা পরিস্থিতিতে কয়েকদিন আগেও দিনে কাঁঠালবাড়ী থেকে শিমুলিয়া দুই থেকে তিনটি ফেরি চললেও এখন ছয়টি ফেরি চলছে। তবে, গণপরিবহন বন্ধ থাকায় নিজেদের কর্মস্থলে যেতে ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা। চাকরি বাঁচাতে নিতে হচ্ছে জীবনের ঝুঁকি। কারণ ফেরি, মিশুক বা পিকআপ যে বাহনেই তারা গন্তব্যে যাচ্ছেন সেখানে শারীরিক দূরত্ব থাকছে না।
মুন্সীগঞ্জ পুলিশ সুপার আব্দুল মোমেন বলেন, ‘সরকার থেকে এই জেলার জন্য যে নির্দেশনা আছে অন্য জেলার জন্যও একই নির্দেশনা। সেক্ষেত্রে মাদারীপুরের কাঁঠালবাড়ী ঘাট থেকে তারা যদি ফেরিতে উঠে শিমুলিয়া ঘাটে চলে আসে তাহলে তাদের শিমুলিয়া ঘাটে আটকালে সমস্যার সমাধান হবে না, বরং বাড়বে। এই সকল গার্মেন্টকর্মীরা যে সব স্থান হতে রওনা দিয়েছে সেই উৎসগুলোতে আটকাতে হবে। তা না হলে মাঝপথে তাদের আটকালে ভোগান্তি বাড়বে।’
মাওয়া নৌপুলিশ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সিরাজুল ইসলাম জানান, অন্য দিনের মতো শুক্রবার বেশ কিছু শ্রমজীবী মানুষ সকাল থেকে ফেরি পার হয়েছে।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) শিমুলিয়া ঘাটের উপ-মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, সকাল থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত চারটি ফেরি কাঁঠালবাড়ী ঘাট থেকে শিমুলিয়া ঘাটে এসেছে। প্রত্যেক ফেরিতেই শ্রমজীবী মানুষ ঢল ছিল।








