চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, নারী কেলেঙ্কারি এবং হিন্দুদের সম্পত্তি দখল, অত্যাচার ও নির্যাতনের অভিযোগে মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেককে দল থেকে ফের বহিষ্কার করা হয়েছে।
শনিবার (৩ অক্টোবর) জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক আব্দুর রাজ্জাক রাজা ও যুগ্ম আহ্বায়ক মাহাবুবুর রহমান জনি স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, সাটুরিয়া উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেকের বিরুদ্ধে অপহরণের চেষ্টা চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজিসহ অসংখ্য নারী কেলেঙ্কারি এবং হিন্দুদের ওপরে দখলদারিত্ব, অত্যাচার ও নির্যাতনের অভিযোগসহ সাটুরিয়া থানায় মামলা রয়েছে। এছাড়া বহিষ্কারের পরও নিজেকে সংগঠনের শৃঙ্খলা ভেঙে যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক পরিচয় দিয়ে যাচ্ছেন যা সংগঠনের গঠনতন্ত্র বর্হিভূত। এখন থেকে যুবলীগের সব কার্যক্রম থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে এবং স্থায়ী ভাবে বহিষ্কার করা হলো।
এ ব্যাপারে সাটুরিয়া যুবলীগের সভাপতি রেজাউল করিম রেজা বলেন, শনিবার সন্ধ্যায় সাধারণ সম্পাদককে বহিষ্কারের খবরটি জানতে পেরেছেন।
কমিটির আহ্বায়ক আব্দুর রাজ্জাক রাজা বলেন, ‘সাটুরিয়া থানা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদককে আমাদের আগের কমিটি এর আগেই বহিষ্কার করেছিল। কিন্তু এরপরও তিনি সংগঠনের গঠনতন্ত্র বর্হিভূত কাজ করে আসছিল বিধায়, কেন্দ্রীয় কমিটির পরামর্শক্রমে শনিবার তাকে দলীয় সব কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে এবং পুনরায় বহিষ্কার করা হলো।’
বহিষ্কৃত আব্দুল খালেক বলেন, বর্তমান জেলা আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণার আগেই আগের কমিটি তাকে সাময়িক বহিষ্কার করলেও পরে তা প্রত্যাহার করেও নিয়েছিল। বর্তমান কমিটির করা বহিস্কারাদেশটি পুনরায় প্রত্যাহার করবে বলে তিনি দাবি করেন।








