ফরিদপুরের জেলার ভাঙ্গা উপজেলায় জ্যান্ত কই মাছ গলায় আটকে শেখ মনির হোসেন ওরফে মন্টু (১৯) নামে এক যুবকের মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে। রবিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের নাক, কান ও গলা (ইএনটি) বিভাগের প্রধান ডা. শফিকুর রহমান মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
মন্টু ভাঙ্গা উপজেলার ঘারুয়া ইউনিয়নের চৌকিঘাটা গ্রামের কাঞ্চন শেখের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও মন্টুর ভাই মিজানুর রহমান শেখ বলেন, ‘শনিবার দুপুরে ঘাড়ীয়ার বিলে এক আত্মীয়ের পুকুরে মাছ ধরতে যাই আমরা। মনির একটি কইমাছ ধরে সেটি পাত্রে না রেখে ইয়ার্কির ছলে মুখের মধ্যে ঢুকিয়ে দাঁত দিয়ে আটকে রাখার চেষ্টা করে। মুখে ঢোকানোর পরপরই মাছটি গলার ভেতরে চলে যায়। এ সময় মন্টু অজ্ঞান হয়ে পড়ে যায়।’
তিনি আরও বলেন, ‘উপস্থিত লোকজনের সামনে সাহস দেখানোর জন্যই এমনটি করে সে। আমরা তাকে নিষেধ করেছি। অজ্ঞান অবস্থায় মন্টুকে প্রথমে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে সেখান থেকে তাৎক্ষণিক ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।’
ডা. শফিকুর রহমান জানান, মন্টুর গলা ও শ্বাসতন্ত্রের ব্যাপক ক্ষতি হয়। অস্ত্রোপচার করে তার গলা থেকে মাছটি বের করা হয়। কিন্তু তার চেতনা আর ফেরেনি। রবিবার সকালে দু’বার বমি করে মৃত্যু হয় তার।
মনির ওরফে মন্টুর এই অস্বাভিক মৃত্যুতে তার পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।









