কঠোর লকডাউনের মধ্যেও শুক্রবার (০২ জুলাই) বিপুল মানুষের সমাগমে বসেছে শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলার দাসেরজঙ্গল বাজারের পশুর হাট। সেখানে আসা ক্রেতা–বিক্রেতার হাতে, পকেটে ও কানে মাস্ক দেখা গেলেও ছিলো না নাকে-মুখে।
তবে প্রশাসনের লোক ও সাংবাদিক দেখলে তড়িঘড়ি করে মুখে মাস্ক পরে নেন তারা। সেখানে মানুষের সমাগম দেখে একবারের জন্যও মনে হয়নি দেশে করোনাভাইরাস আছে। এদিকে, হাট বসলেও সেখানে প্রশাসনের তেমন তৎপরতা দেখা যায়নি। আর হাটের ইজারাদার আব্দুল আউয়াল বলেছেন, উপজেলা প্রশাসন অনুমতি না দিলেও, হাট বসাতে নিষেধ করেনি। গবাদিপশু কৃষিপণ্য, তাই লকডাউনেও বাজারজাত করা যাবে।
পশুর হাট বসায় গোসাইরহাট পৌর এলাকাতেও উপেক্ষিত ছিলো লকডাউন ও স্বাস্থ্যবিধি। এছাড়া গোসাইরহাট বাজারে চলছে সাপ্তাহিক হাট। সেখানে প্রশাসনের তেমন তৎপরতা দেখা যায়নি।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পশুর হাটের ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রতি সপ্তাহের শুক্রবার দাসেরজঙ্গল গো-হাট বসে। এটি উপজেলার সবচেয়ে বড় গরুর হাট। করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার পরও হাটটি চলমান রয়েছে। আজও যথারীতি বসেছে।
গোসাইরহাটের বাসিন্দা সজিব বলেন, বাজারে সব দোকান খোলা, এখানে কেউ লকডাউন মানে না।
এদিকে গরুর হাটকে কেন্দ্র করে পৌর এলাকায় নসিমন, ভ্যানসহ অন্যান্য ছোট যানবাহন বিনা বাধায় চলাচল করেছে। দোকানও খোলা দেখা গেছে।
দাসেরজঙ্গল গো-হাটের ইজারাদার আব্দুল আউয়াল সরদার বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনেই আমরা গরুর হাট বসিয়েছি। উপজেলা প্রশাসন অনুমতি না দিলেও, হাট বসাতে নিষেধ করেনি। যেহেতু গবাদিপশু কৃষিপণ্যের আওতাভুক্ত। তাই লকডাউনের ভেতরও গবাদিপশু বাজারজাত করা যাবে।
গোসাইরহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আলমগীর হুসাইন বলেন, এখানে প্রতি সপ্তাহে গরুর হাট বসে। আজও যথারীতি বসেছে। হাটে সকালে দুইজন ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ সদস্যরা ছিলো। হাটে বিধিনিষেধ না মানলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।









