অস্ত্র মামলায় টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও সাবেক যুবলীগ নেতা আতিকুর রহমান মোর্শেদের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। শুক্রবার (২০ আগস্ট) বিকালে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা হাসানাত তার রিমান্ড মঞ্জুর করেন। টাঙ্গাইলের আদালত পরিদর্শক তানভীর আহমেদ তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে চাঁদাবাজির মামলায় পৌর শহরের ক্লাব রোড থেকে কাউন্সিলর মোর্শেদকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে তাকে নিয়ে শহরের বিশ্বাস বেতকা এলাকায় তার বাসায় টাঙ্গাইলের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আহসান মাহমুদ রাসেলের উপস্থিতিতে টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশ ও গোয়েন্দা (ডিবি) বাহিনীর সদস্যরা অভিযান চালায়। এ সময় তার বাসা থেকে দুটি বিদেশি পিস্তল, ছয় রাউন্ড গুলি ও দুটি ম্যাগাজিন উদ্ধার করা হয়। এরপর রাতে টাঙ্গাইল সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইদ ইবনে রাজীব বাদী হয়ে মোর্শেদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করেন।
শুক্রবার বিকালে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শামীম হোসেন আসামি মোর্শেদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে টাঙ্গাইল চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করেন। শুনানি শেষে বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা হাসানাত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন বলেন, ‘কাউন্সিলর আতিকুর রহমান মোর্শেদের বিরুদ্ধে দুই যুবলীগ নেতা হত্যা, ছাত্রদল নেতা রেজা হত্যা, ব্যবসায়ী তুহিন হত্যা মামলাসহ চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের এক ডজন মামলা রয়েছে। তিনি পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী।’
একটি সূত্রে জানা গেছে, কাউন্সিলর আতিকুর রহমান মোর্শেদ টাঙ্গাইল শহর ছাত্রলীগের নেতা ছিলেন। পরে তিনি জেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে দলীয় পদ না থাকলেও শহর আওয়ামী লীগের কর্মী হিসেবে দলীয় বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে অংশ নিতেন।
এ বিষয়ে জেলা যুবলীগের সভাপতি রেজাউর রহমান চঞ্চল বলেন, ‘কাউন্সিলর মোর্শেদ যুবলীগের আগের কমিটির সহ-সভাপতি ছিলেন। এখন তিনি কোনও কমিটিতে নেই। আওয়ামী লীগ বা যুবলীগের সদস্য পদেও নেই। এখন তিনি শুধু কাউন্সিলর।’









