স্বাস্থ্য বিভাগের শতভাগ প্রস্তুতি থাকলেও রেজিস্ট্রেশন করতে না পারায় মানিকগঞ্জে ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী স্কুলশিক্ষার্থীদের করোনাভাইরাসের টিকা দেওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষা বিভাগের সার্ভারের জটিলতার কারণে এ জেলার শিক্ষার্থীরা রেজিস্ট্রেশন করতে পারেনি।
এদিকে, স্বাস্থ্যমন্ত্রী মানিকগঞ্জের বাসিন্দা সেজন্য স্পেশালভাবে পৌর এলাকার সরকারি এসকে বালিকা বিদ্যালয়ের এক হাজার শিক্ষার্থীকে টিকা দেওয়ার কথা রয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগের। এ তথ্য জানান জেলা সিভিল সার্জন (ভারপ্রাপ্ত) ডা. লুৎফর রহমান।
ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন জানান, ইতোমধ্যে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কার্যালয়কে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এ ছাড়া আট জন টিকাদান কর্মী ও ১৬ জন ভলান্টিয়ারকেও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। টিকা নিতে আসা স্কুলশিক্ষার্থীদের সবাইকে জন্ম নিবন্ধন কার্ড সঙ্গে আনতে হবে। স্বাস্থ্য বিভাগ পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে তাদের টিকাদান নিশ্চিত করবে।
গত ১৪ অক্টোবর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মানিকগঞ্জে কর্নেল মালেক মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের উপস্থিতিতে ১১২ শিক্ষার্থীকে করোনাভাইরাসের টিকা দেওয়া হয়। এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন জানান, টিকা দেওয়ার পর শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ বাসায় ১৪ দিন অবজারভেশনে রাখা হয়েছিল। স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মীরা রুটিন করে ওইসব শিক্ষার্থীদের বাসায় মনিটরিং করেছে। সে সময় শিক্ষার্থীদের কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয়নি। টিকা প্রয়োগ শতভাগ সফলভাবে হয়েছে।
এদিকে জেলা শিক্ষা অফিসার রেবেকা জানান, সদর উপজেলার একটি শহরের সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়, সরকারি এসকে বালিকা বিদ্যালয়, গড়পাড়া জাহিদ মালেক উচ্চ বিদ্যালয় এবং আটিগ্রাম জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয়ের ১১২ শিক্ষার্থীকে ফাইজারের টিকা দেওয়া হয়েছিল। তাদের কেউই অসুস্থ হয়নি কিংবা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়নি।









