ফরিদপুরের সালথা উপজেলার রামকান্তপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে জয়লাভ করেছেন কারাগারে থাকা স্বতন্ত্র প্রার্থী ইশারত হোসেন। দ্বিতীয় ধাপে বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত রামকান্তপুর ইউনিয়নের ৯ কেন্দ্রে সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণ হয়। রাতে গণনা শেষে এ ফলাফল ঘোষণা করা হয়। এ নির্বাচনে তার সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন আরও ছয় প্রার্থী।
উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, রামকান্তপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. ইশারত হোসেন (টেলিফোন) প্রতীকে তিন হাজার ৩৪৮ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী কামাল হোসেন (টেবিল ফ্যান) পেয়েছেন এক হাজার ৭১২ ভোট।
এ ছাড়া নৌকার প্রার্থী আশরাফ আলী লিটু এক হাজার ৪৭৭, ইমারত হোসেন আনারস প্রতীকে এক হাজার ৫০৪, সিরাজুল ইসলাম মোটরসাইকেল প্রতীকে এক হাজার ৮৭, সৈয়দ আলী ঘোড়া প্রতীকে ৯২৭ ভোট এবং নজরুল ইসলাম পেয়েছেন ২২ ভোট।
জানা গেছে, চলতি বছরের ৫ এপ্রিল সালথায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় জনতা উপজেলা পরিষদ ভবন ঘেরাও করে আগুন লাগিয়ে তাণ্ডব, ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করে। ওই মামলায় সালথা থানা পুলিশ গত ১৪ এপ্রিল ইশারত হোসেনকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠায়।
এরপর থেকে ইশারত হোসেন ফরিদপুর জেলহাজতে আছেন। জেলে থেকেই তিনি রামকান্তপুর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।
রামকান্তপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা সালথা উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা ফজলে রাব্বী নোমান জানান, উপজেলার রামকান্তপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. ইশারত হোসেন তিন হাজার ৩৪৮ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।
তিনি আরও জানান, মামলায় গ্রেফতার হয়ে ইশারত হোসেন কারাগারে আছেন। কারাগারে থেকেই তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে অংশ নেন এবং জয়লাভ করেন।








