ঈদকে সামনে রেখে নারায়ণগঞ্জ থেকে দুই রুটে আরও চারটি লোয়ার ডেকের লঞ্চ (ছোট লঞ্চ) চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে মোট ছোট লঞ্চের সংখ্যা দাঁড়াল ২৩টি। শনিবার (৩০ এপ্রিল) এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)।
এর আগে, ২০ মার্চ শীতলক্ষ্যা নদীতে কার্গো জাহাজ রূপসী-৯ এর ধাক্কায় যাত্রীবাহী লঞ্চ এমএল আফসার উদ্দিন ডুবে ১০ জনের মৃত্যু হয়। ওই ঘটনার পর থেকে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি এড়াতে নারায়ণগঞ্জ থেকে পাঁচ রুটে চলাচলকারী যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচল বন্ধ করে দেয় বিআইডব্লিউটিএ। তবে একটি সি-ট্রাক ও ঢাকা থেকে আগত দুটি লঞ্চ চালু করা হয়। পরে গত ২৪ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের ১৮টি লঞ্চ চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়।
বিআইডব্লিউটিএ’র নারায়ণগঞ্জ নদী বন্দরের উপ-পরিচালক (নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক) বাবু লাল বৈদ্য বলেন, এখন নারায়ণগঞ্জের ২৩টি লঞ্চ চলাচল করছে। কিছুদিন পূর্বে (লোয়ার ডেকের) ১৮টি লঞ্চ চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। এখন নতুন করে আরও চারটি লোয়ার ডেকের লঞ্চ চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। চাঁদপুর রুটে তিনটি এবং মুন্সিগঞ্জ রুটে একটি লঞ্চ ইতোমধ্যে চলাচল করছে। এছাড়াও নড়িয়া রুটে নড়িয়া-৪ লঞ্চটি আপার ডেক হওয়ায় ওই তালিকার আওতাভুক্ত হয়নি। এই লঞ্চটির এমনিতে চলাচলের অনুমতি ছিল।
বাংলাদেশ নৌ পরিবহন (যাত্রী) সংস্থার নারায়ণগঞ্জ জোনের সভাপতি বদিউজ্জামান বাদল বলেন, ‘চাঁদপুর রুটে ১৬টি, মুন্সিগঞ্জ রুটে দুইটি, রামচন্দ্রপুর রুটে একটি, নড়িয়া রুটে দুইটি এবং মতলব রুটে দুইটি লঞ্চ চলাচল করছে। চাঁদপুর রুটে তিনটি, মুন্সিগঞ্জ রুটে একটি লঞ্চ নতুন করে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এখন মোট ২৩টি লঞ্চ চলাচল করছে।
তিনি আরও বলেন, ৭০টি লঞ্চের বদলে মাত্র ১৮টি লঞ্চ দিয়ে কী হবে? এতে করে যাত্রীদের চাপ সামলানো মুশকিল হয়ে পড়বে, তা সকলেই জানে। একারণে লঞ্চের সংখ্যা বাড়িয়েছে। তবে এই লঞ্চের সংখ্যাও যথেষ্ঠ নয়, আরও বাড়াতে হবে।









