মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে বাংলাদেশের কয়েক জেলার কিছু গ্রামে বুধবার (২৮ জুন) পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন করা হয়েছে। ঈদের নামাজ শেষে কোরবানিও দিয়েছেন। বাংলা ট্রিবিউনের জেলা প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্যমতে যেসব জায়গায় আজ ঈদ উদযাপন হয়েছে এর তথ্য তুলে ধরা হয়েছে...
সাতক্ষীরা
জেলার সদর উপজেলাসহ সাত উপজেলার ২০টি স্থানে আজ ঈদ উদযাপন করা হয়েছে। ঈদের নামাজে সাতক্ষীরার ইসলামকাটি, গোয়ালচত্বর, ভাদড়া, ঘোনা, মিরগিডাঙ্গাসহ প্রায় ২০ গ্রামের মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
ঘোনা ইউনিয়নের ভাড়খালি বাজার এলাকায় ঈদের জামাতে ইমামতি ও খোতবা পাঠ করেন হাফেজ মাওলানা মাহবুবুর রহমান। তিনি জানান, ইংরেজি মাসের হিসেবে নয়, আরবি মাসের হিসাবে হজরত মুহাম্মদ (স.) নির্দেশিত হিজরি তারিখ হিসেব করে এখন বিশ্বায়নের যুগে সৌদির সঙ্গে মিল রেখে ঈদ করতে হবে।
ফেনী
সদর উপজেলার ফরহাদ নগর ইউনিয়নের পূর্ব সুলতানপুর ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পৃথক দুটি পাড়ায় এবং পরশুরাম পৌরসভার কোলাপাড়া ছয়ঘরিয়া এলাকায় ঈদের নামাজ পড়েছেন কিছু মানুষ।
ফরহাদ নগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন তার ইউনিয়নের পূর্ব সুলতানপুর এলাকার পৃথক দুটি পাড়ায় আজ কিছু সংখ্যক মুসল্লি ঈদ পালন করেন এবং কোরবানি দেন। তাদের মধ্যে একটি অংশ পূর্ব সুলতানপুর শাহ আমানিয়া জাহাগিরিয়া দরবার শরিফে মাওলানা মোহাম্মদ গোলাম নবীর নেতৃত্বে নামাজ আদায় করেন।
জামালপুর
জেলার সরিষাবাড়ীতে দুই শতাধিক মানুষ ঈদের নামাজ পড়েছেন। পৌর এলাকার বলারদিয়ার জামে মসজিদের খতিব মাওলানা আজিম উদ্দিনের ইমামতিতে বলারদিয়া জামে মসজিদ মাঠে এই ঈদের জামাত হয়।
ইমাম আজিম উদ্দিন জানান, প্রতি বছরই মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে তারা ঈদুল ফিতর ও আজহার নামাজ আদায় করেন। পৌর এলাকার ষোলোটি গ্রামের মানুষ এই নামাজে অংশগ্রহণ করেন।
টাঙ্গাইল
জেলার দেলদুয়ারে ঈদুল আজহা উদযাপন করেছে স্থানীয় ৫০টি পরিবার। উপজেলার শশীনাড়া গ্রামের স্থানীয় জামে মসজিদে তারা ঈদের নামাজ আদায় করেন। নামাজের ইমামতি করেন মাওলানা আব্দুর রহমান।
ইমাম আব্দুর রহমান বলেন, সকাল ৮টায় ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। নামাজে শতাধিক মুসল্লি অংশগ্রহণ করেন। নামাজ শেষে কোলাকুলি করেন মুসল্লিরা। এ সময় বিশ্বের মুসলিম উম্মার জন্য দোয়া করা হয়।
ফরিদপুর
ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ১৩টি গ্রামে ঈদুল আজহা উদযাপন করেছেন কয়েকশ মুসল্লি। তবে ভোর থেকে মুষলধারে বৃষ্টি নামায় মসজিদের ভেতরে নামাজ আদায় করেন।
উপজেলার শেখর ইউনিয়নের মাইটকুমরা জামে মসজিদে ঈদের প্রথম জামাত হয়। রাখালতলী পুরাতন মসজিদের ইমাম জয়নাল ফকির ঈদের জামাতের ইমামতি করেন। এ ছাড়াও আরও দুটি মসজিদে আংশিক কিছু মানুষ ঈদের নামাজ আদায় করেন।
এ ছাড়া চাঁদপুর, নোয়াখালী, দিনাজপুর ও কুড়িগ্রামসহ আরও কয়েকটি জেলার কিছু গ্রামের মানুষ আজ ঈদের নামাজ আদায় ও কোরবানি দিয়েছেন।









