টাঙ্গাইলের বাসাইলে গৃহবধূ ধর্ষণ মামলার দুই আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। রবিবার (৯ জুলাই) টাঙ্গাইলের চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারিক হাকিম সউদ হোসেন তাদের জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
গ্রেফতার দুই আসামি হলো ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি বাসাইল পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি সাকিব মিয়ার সহযোগী গ্রামের মৃত হাকিম মিয়ার ছেলে সাইদুল মিয়া (৩০) ও একই গ্রামের জুয়েল মিয়ার ছেলে মো. শাহেদ মিয়া (২৫)।
কোর্ট পরিদর্শক তানভীর আহমেদ জানান, গৃহবধূ ধর্ষণ মামলার আসামি টাঙ্গাইলের বাসাইল দক্ষিণপাড়া উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়েছিল। রবিবার ছিল জামিনের শেষ দিন। তারা রবিবার দুপুরে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করে।
ওই মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী মারিয়াম আক্তার জানান, চলতি বছরের ১৪ মে দিবাগত রাতে ওই গৃহবধূ ও তার স্বামী ঘুমিয়ে পড়েন। রাত সাড়ে ১২টার দিকে বাসাইল পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি সাকিব মিয়া একজন অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে যাবে বলে মোটরসাইকেল নিতে আসে। মোটরসাইকেল নেওয়ার কিছুক্ষণ পরই গৃহবধূর স্বামীকে মোটরসাইকেল ত্রুটির কথা বলে ডেকে নেন। এরই ফাঁকে সাইদুল মিয়া ও শাহেদ মিয়ার সহযোগিতায় সাকিব মিয়া ওই গৃহবধূকে কৌশলে ওড়না দিয়ে মুখ বেঁধে ধর্ষণ করে।
গত ১৬ মে ওই গৃহবধূ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে সাকিব ও তার দুই সহযোগী সাইদুল ও শাহেদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। সাইদুল ও শাহেদ গত ২৯ মে উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়েছিল। তারা রবিবার আত্মসমর্পণ করলে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দনে। পরে তাদের টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। ওই মামলার প্রধান আসামি বাসাইল পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি সাকিব মিয়াও উচ্চ আদালতের দেওয়া জামিনে রয়েছে।
এদিকে রবিবার ছাত্রলীগের নেতা সাকিব মিয়াসহ অন্যদের বিরুদ্ধে করা ধর্ষণ মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন হয়েছে বাসাইল বাসস্ট্যান্ড চত্বরে।
অপর দিকে শনিবার দুপুরে মামলার বাদী ভুক্তভোগী নারীর পরিবার ও এলাকাবাসী আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার ও তাদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে।









