আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটির চেয়ারম্যানের নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতে আদালতে হাজির হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের আওয়ামী লীগের প্রার্থী মৃণাল কান্তি দাস।
শনিবার (২ ডিসেম্বর) বেলা ১১টার দিকে তিনি আসনটির নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটির চেয়ারম্যান এবং মুন্সীগঞ্জ যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আদালত-২ এর বিচারক ফাহমিদা খাতুনের আদালতে উপস্থিত হন। পরে সেখানে লিখিত ব্যাখ্যা দেন।
এর আগে, আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগে বৃহস্পতিবার বিকালে আসনটির নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটির চেয়ারম্যান বিচারক ফাহমিদা খাতুন লিখিতভাবে কারণ দর্শানোর এ নির্দেশ দেন।
কারণ দর্শানোর চিঠি থেকে জানা গেছে, মৃণাল কান্তি দাস দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে সংসদীয় আসন ১৭৩ মুন্সীগঞ্জ-৩ এর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী। তিনি গত ২৭ নভেম্বর মুন্সীগঞ্জ শহরে গোলচত্বর এলাকায় সভা করেন। মোটরসাইকেল ব্যবহার করে শোভাযাত্রা করেন। এ সময় শত শত নেতাকর্মীরা সুপার মার্কেট এলাকায় জড়ো হন। এতে মুন্সীগঞ্জ শহরের থানা সড়ক, হাসপাতাল সড়ক ও জেলা মুক্তিযোদ্ধা কার্যালয় সড়ক দিয়ে যানবাহন চলাচলে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়। ওই এলাকায় প্রায় এক ঘণ্টা স্বাভাবিকভাবে যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকে।
ওই বিষয়ে সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নাজমুল হাসান নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটির কার্যালয়ে মৃণাল কান্তি দাসের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেছেন। এ ছাড়াও এ বিষয়ে গত ২৮ নভেম্বর গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়।
চিঠিতে অনুসন্ধান কমিটির চেয়ারম্যান উল্লেখ করে, প্রাপ্ত অভিযোগের ভিত্তিতে এবং পত্রিকায় প্রকাশিত তথ্যসমূহ বিশ্লেষণে পরিলক্ষিত হয়েছে মৃণাল কান্তি দাস এই কার্যক্রমের মাধ্যমে সংসদীয় নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০০৮ এর বিধি ৬ (ঘ) ও ৮ (ক) এর বিধান এবং তৎসহ বিধি ১২ এর বিধান লঙ্ঘন করেছেন। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে কেন বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রেরণ করা হবে না, সেটি আগামী দুই ডিসেম্বর শনিবার বেলা ১১টার মধ্যে কমিটির অস্থায়ী কার্যালয় মুন্সীগঞ্জ যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ, দ্বিতীয় আদালতে, ব্যক্তিগতভাবে হাজির হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ দেন।









