সংসদের চিফ হুইপ নূর-ই আলম চৌধুরী বলেন, ‘ছাত্রদের কোটা আন্দোলনে আমাদের সরকারের সবারই দৃষ্টি ছিল। পরে জামায়াত-বিএনপি এটাকে অন্য রূপে নিয়ে এই নাশকতা করেছে। বিএনপি-জামায়াতের উদ্দেশ্য ছিল গণভবন দখল করা। গোয়েন্দা নজরদারির কারণে আমাদের প্রধানমন্ত্রী, গণভবন, সংসদসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে।’
কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে সহিংসতায় মাদারীপুরে ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনা পৌর মুক্তিযোদ্ধা অডিটোরিয়াম, পুলিশ ফাঁড়ি, পুলিশ বক্স, জেলা আওয়ামী লীগের অফিস, সার্বিক পেট্রোল পাম্প, সার্বিক বাস ডিপোর অর্ধশতাধিক পুড়ে যাওয়া পরিবহন মাদারীপুর (২৯ জুলাই) দুপুরে পরিদর্শন করে তিনি এ কথা বলেন।
পরিদর্শনকালে সঙ্গে ছিলেন- আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শাজাহান খান, মাদারীপুর-৩ আসনের সাংসদ তাহমিনা বেগম, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহাবুদ্দিন মোল্লা, মাদারীপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মারুফুর রশিদ খান, মাদারীপুর পুলিশ সুপার শফিউর রহমান, মাদারীপুর ও শিবচর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পৌর মেয়রসহ জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।









