ভারতের আগরতলায় বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে হামলার প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে মশাল মিছিল করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতা।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বর থেকে মশাল মিছিলটি বের করা হয়। এটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
মিছিলে উপস্থিত ছিলেন ছাত্র প্রতিনিধি মনিরুল ইসলাম, আল আমিন, ফাতেমা রহমান বিথি, আল আমিন সিয়াম, ফরাশ, ফারদিনসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। মশাল মিছিল শেষ করে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা করেন তারা।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, ভারতের দালালরা হুঁশিয়ার হয়ে যান। আপনারা বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে হামলার মাধ্যমে বাংলাদেশকে থামিয়ে রাখতে পারবেন না। বাংলাদেশে আর আওয়ামী লীগের স্থান হবে না। যদি মনে করেন এ রকম করে হামলা করে আওয়ামী লীগকে আবার ক্ষমতায় আনবেন, তাহলে আপনারা ভুল করছেন। এ সময় বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে তারা ভারতের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলেন।
এর আগে সোমবার দুপুরে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় ত্রিপুরা রাজ্যের উত্তর আগরতলায় বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশন প্রাঙ্গণে হামলা হয়। হিন্দু সংঘর্ষ সমিতি নামে একটি সংগঠনের সদস্যরা সহকারী হাইকমিশন প্রাঙ্গণে ঢুকে হামলা চালান। ঘটনাটিকে ‘দুঃখজনক’ বলে বর্ণনা করেছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
ওই দিন সন্ধ্যায় এক বিবৃতিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশন প্রাঙ্গণে ভাঙচুরের ঘটনাটি গভীরভাবে দুঃখজনক। কূটনৈতিক ও কনস্যুলার স্থাপনাকে কোনও অবস্থাতেই হামলার লক্ষ্যবস্তু করা উচিত নয়। নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশন ও ভারতে অবস্থিত বাংলাদেশের ডেপুটি ও সহকারী হাইকমিশনের নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করার জন্য সরকার ব্যবস্থা নিচ্ছে।









