গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় কুশলা ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মিছিলে হামলার ঘটনায় আওয়ামী লীগ মনোনীত ও বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেছেন।
কুশলা ইউপির বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী চৌধুরী সুলতান মাহামুদ কালু অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী কামরুল হাসান বাদল ও তার লোকজন আমার নির্বাচনি কাজে বাধা দিচ্ছেন। আমার পোস্টার ছিঁড়ে ফেলছেন। পুলিশের কাছে মিথ্যা অভিযোগ করে আমার সমর্থকদের হয়রানি করছেন। রাতে আমার সমর্থকরা বাড়ি থাকতে পারছেন না। শনিবার আমার লোকজন প্রচারে মাইক বের করলে বাদলের লোকজন মাইক ছিনিয়ে নিয়ে যান। এ ঘটনার প্রতিবাদে আমি ও আমার সমর্থকরা সন্ধ্যায় মিছিল বের করলে তার লোকজন মিছিলে অতর্কিত হামলা করেন। এতে আমিসহ দলের অন্তত ১০ জন আহত হন।
এদিকে, আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী কামরুল ইসলাম বাদল পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী চৌধুরী সুলতান মাহামুদ কালু ও তার সমর্থকরা আমাদের দলীয় সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি সংবলিত নির্বাচনি ব্যানারে আগুন দেন। এ নিয়ে আমার সমর্থকদের সঙ্গে তাদের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে কালু ও তার সমর্থকরা আমার সমর্থকদের ওপর হামলা চালায়। এতে আমার সাতজন সমর্থক আহত হন। কিন্তু আমরা কালুর সমর্থকদের ওপর হামলা করিনি। তার নির্বাচনি কাজে বাধা দেইনি। কালু আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করেছেন। আমার ব্যানারে আগুন দেওয়ার ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি।
এ বিষয়ে কোটালীপাড়া থানার ওসি মো. আব্দুল লতিফ বলেন, আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী কামরুল ইসলাম বাদলের পক্ষ থেকে একটি অভিযোগ পেয়েছি। কিন্তু চৌধুরী সুলতান মাহামুদ কালু এখনও কোনও অভিযোগ করেননি।
উল্লেখ্য, শনিবার সন্ধ্যায় কুশলা ইউনিয়নের জামুলা খান মার্কেট এলাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী চৌধুরী সুলতান মাহামুদ কালুর নির্বাচনি মিছিলে হামলা চালানো হয়। এতে স্বতন্ত্র প্রার্থী চৌধুরী সুলতান মাহামুদ কালুসহ ১০ জন আহত হন। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।
/বিটি/এএইচ/








