পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদের নির্দেশনায় তার নির্বাচনি এলাকা ফরিদপুরের সালথা উপজেলার সংঘর্ষপ্রবণ গট্টি, মাঝারদিয়া ও সোনাপুর ইউনিয়নে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধারের উদ্যোগ নিয়েছে পুলিশ। বুধবার (১০ জুন) বিকালে প্রথম দফায় মাঝারদিয়া ইউনিয়নে এ কার্যক্রম শুরু হয়।
গ্রামবাসীর কাছ থেকে ঢাল–সড়কিসহ দেশীয় অস্ত্র গ্রহণের পর পুলিশের পক্ষ থেকে তাদের হাতে রজনীগন্ধার ফুল তুলে দেওয়া হয়।
বুধবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে মাঝারদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের বারান্দায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে মাঝারদিয়া, খলিশপুট্টি ও মুরাটিয়া গ্রামের ২৩ বাসিন্দা ২৩টি দেশীয় অস্ত্র জমা দেন। এর মধ্যে ১০টি ঢাল ও ১৩টি সড়কি আছে। তবে ওই তিন গ্রামে যে পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র মজুত আছে, তার তুলনায় জমা পড়া অস্ত্রের সংখ্যা অত্যন্ত কম। বিষয়টি এলাকাবাসী ও পুলিশ—উভয়েই স্বীকার করেছে।
স্থানীয় কয়েকজন বলেন, গ্রামবাসী অস্ত্র জমা দেওয়ার নামে পুলিশ ও প্রশাসনের সঙ্গে একধরনের প্রতারণা করেছেন। তাদের ভাষ্য, মাঝারদিয়া ইউনিয়নের ওই তিন গ্রামে হাজারও দেশীয় অস্ত্র মজুত আছে। অথচ জমা দেওয়া হয়েছে মাত্র ২৩টি।
এ কথা স্বীকার করেছেন সালথা থানার ওসি বাবলুর রহমানও। তিনি বলেন, ‘মাঝারদিয়া ইউনিয়নের তিনটি গ্রামের ২৩ ব্যক্তি এসব অস্ত্র জমা দিয়েছেন। এর মধ্যে ১০টি ঢাল ও ১৩টি সড়কি আছে। এই এলাকায় প্রচুর দেশীয় অস্ত্র আছে। যা আমাদের কাছে জমা পড়েছে, তা খুবই নগণ্য—আমরা জানি। তবু আমরা শুরু করেছি। ধীরে ধীরে উপজেলার সংঘর্ষপ্রবণ ইউনিয়ন সোনাপুর ও গট্টি এলাকাতেও আমরা এসব অস্ত্র উদ্ধারের আয়োজন করবো।’









