দেশে সক্রিয় রয়েছে বড় একটা অস্ত্রের সিন্ডিকেট। যারা দিনাজপুরের হিলি সীমান্ত দিয়ে পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে আনছে অবৈধ অস্ত্র। পরে সেগুলো মজুত করা করছে দিনাজপুরের গোপন আস্তানায়। সিন্ডিকেটের সদস্যরা প্রাইভেটকারে করে রাজধানীতে আনছে সেসব অস্ত্র। এরপর বিক্রি করছে সন্ত্রাসীদের কাছে।
রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর কাজলা থেকে দুটি বিদেশি অস্ত্র ও গুলিসহ তিন অবৈধ অস্ত্র ব্যবসায়ীকে আটকের পর সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানায় ঢাকার র্যাব-১০। এখন অস্ত্রের ক্রেতাদের খুঁজছে র্যাব।
কেরাণীগঞ্জে র্যাব-১০-এর কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক মোহাম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, ‘রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর কাজলায় মঙ্গলবার (৯ জুন) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি শুরু করে র্যাব-১০। এ সময় একটি প্রাইভেটকারকে থামতে বললে সংকেত অমান্য করে পালানোর চেষ্টা করে। পরে র্যাব সদস্যরা প্রাইভেটকারটি আটক করে। পরে প্রাইভেটকারের ভেতরে তল্লাশি চালিয়ে ড্যাশবোর্ডের একেবারে নিচ থেকে উদ্ধার করা হয় দুটি বিদেশি অস্ত্র, দুটি ম্যাগাজিন ও ১৩ রাউন্ড গুলি। সেইসঙ্গে আটক করা হয় তিন জনকে। প্রাইভেটকারটিও জব্দ করা হয়।
গ্রেফতার তিন জন হলেন– কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার করিমাবাদ এলাকার মো. রবিউল ইসলাম (৪৫), মুন্সিগঞ্জের টুঙ্গীবাড়ী উপজেলার জশলং এলাকার মো. মাহবুব আলম মানিক (৩৮) এবং ঢাকার ওয়ারী এলাকার মো. নজরুল ইসলাম (৪৭)।
র্যাব জানায়, ওই তিন জনই পেশাদার অপরাধী। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ১২টি মামলা রয়েছে। পরে জিজ্ঞাসাবাদে সামনে আসে অস্ত্রের বড় সিন্ডিকেটের তথ্য।
র্যাব বলছে, এই সিন্ডিকেট দিনাজপুরের হিলি সীমান্ত দিয়ে পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে অবৈধ অস্ত্র দেশে আনে। সিন্ডিকেটের ঢাকার সদস্যরা দিনাজপুর থেকে সেসব অস্ত্র এনে রাজধানীতে বিক্রি করে।









