যশোরের বেনাপোলে মুন্না (১৫) নামে আবাসিক হোটেলের এক কর্মচারীকে নির্যাতন করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। হোটেল মালিক নির্যাতনের সঙ্গে জড়িত বলে দাবি করেছেন নিহতের স্বজনরা। বুধবার রাত ৮ টার দিকে যশোর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মুন্নার মৃত্যু হয়।
বেনাপোল পোর্ট থানার ওসি অপূর্ব হাসান জানান, বিষয়টি তারা শুনেছি। পাল্টাপাল্টি বক্তব্য পাচ্ছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগ পেলে মামলা নেওয়া হবে।
যশোর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক মনিরুজ্জামান জানিয়েছেন, মুন্নার মাথায় আঘাতের কারণে মাথায় রক্তক্ষরণ হয়েছে। যে কারণে তার মৃত্যু হয়। তবে কী ধরনের আঘাত তা ময়নাতদন্তের আগে বলা সম্ভব নয়।
মুন্না শার্শা উপজেলার লক্ষ্মণপুর ইউনিয়নের বোয়ালিয়াপোতা গ্রামের জাহাঙ্গীরের ছেলে। সে বেনাপোল চেকপোস্টে অবস্থিত আবাসিক হোটেল সোনার বাংলার কর্মচারী ছিল।
আরও পড়তে পারেন: মগবাজারে ছাত্রলীগকর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
মুন্নার চাচা গোলাম মোস্তফা জানান, গত সোমবার সকালে হোটেল মালিক মুন্নাকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় একটি ভ্যানে করে বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। এসময় কী হয়েছে জানতে চাইলে হোটেল মালিক আবু তালেব জানান, সে ছাদ থেকে পড়ে গিয়েছিল।
হোটেল মালিক আবু তালেব অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, মুন্নার জ্বর হয়েছিল। সে ঘুমের ওষুধ খেয়ে সিঁড়ি থেকে নামার সময় পড়ে গিয়ে আহত হয়।
/এনএস/এমএনএইচ/








