বেনাপোল চেকপোস্টে সোনার বাংলা নামে একটি আবাসিক হোটেলের বয়কে নির্যাতন করে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। নিহতের নাম মফিকুল ইসলাম মুন্না (১৫)। বুধবার রাতে যশোর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ২ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
মৃত মফিকুল শার্শা উপজেলার বহিলাপোতা গ্রামের জাহাঙ্গীর হোসেনের পুত্র।
মুন্নার বাবা জাহাঙ্গীর আলম জানান, গত ৮ মে গভীর রাতে মুন্নাকে নির্যাতন করে গুরুতর আহতাবস্থায় স্থানীয় সাদিপুর গ্রামে মুন্নার খালু শামীমের বাড়িতে আবু তালেবের লোকজন রেখে যায়। পরে সেখান থেকে একদিন পর নাভারণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে। অবস্থার অবনতি ঘটলে বুধবার বিকালে যশোর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয়। এরপর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতেই ডা. মনিরুজ্জামান লর্ড তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মৃতের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্র জানায়।
মুন্নাকে মারধর করে হোটেলের দোতলা থেকে ফেলে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ নিহতের বাবার।
হোটেল মালিক আবু তালেবের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, মুন্না জ্বরে আক্রান্ত ছিল। হাই পাওয়ারের ওষুধ খাওয়ায় মাথা ঘুরে সিঁড়ির ওপর থেকে পড়ে যায় সে। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
বেনাপোল পোর্ট থানার ওসি অপূর্ব হাসান জানান, মুন্না নিহতের ঘটনায় বৃহস্পতিবার সকালে বেনাপোল পোর্ট থানায় হোটেল মালিক আবু তালেবসহ তিন জনকে আসামি করে তার চাচা কবীর হোসেন একটি মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ হোটেল মালিকের ছেলে মিলন আলী ও স্ত্রী নুর নাহার বুলুকে আটক করেছে। তবে হোটেল মালিককে আটকের চেষ্টা চলছে।
হোটেল মালিক আবু তালেব বুধবার বিকালে আহতাবস্থায় মুন্নাকে যশোর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
আরও পড়ুন: রাবির বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ
/এআর/টিএন/








