খুলনায় ব্রিটিশ কাউন্সিলকে সেন্টার খুলতে সাহায্য করবে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়। এজন্য প্রয়োজনীয় জায়গা দিয়ে সহযোগিতা করবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার ব্রিটিশ কাউন্সিলের একটি প্রতিনিধি দলকে এ কথা জানিয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ ফায়েক।
ব্রিটিশ কাউন্সিলের পরিচালক বারবারা উইকহামের নেতৃত্বে ৩ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল মঙ্গলবার সকালে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামানের সাথে তাঁর কার্যালয়ে সাক্ষাত করেন। তাঁরা পার্টনারশিপ, ফেলোশিপ প্রোগ্রামসহ উচ্চশিক্ষার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।
এসময় উপাচার্য বলেন, খুলনায় এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা বেড়েছে। সরকারি কলেজ ও স্কুলের সংখ্যাও অনেক। তাই এখানে শত শত ছাত্র-ছাত্রী ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা অর্জনে বৃটিশ কাউন্সিল পরিচালিত বিভিন্ন কোর্সে অংশ নিতে চায়। কিন্তু খুলনায় ব্রিটিশ কাউন্সিলের কোনও সেন্টার না থাকায় সুযোগের অভাবে অনেকেই তা পারছে না। খুলনায় ব্রিটিশ কাউন্সিলের সেন্টার বা ইনফরমেশন সেন্টার স্থাপন করা খুবই জরুরি এবং তা করতে চাইলে ব্রিটিশ কাউন্সিলকে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে জায়গা করে দেওয়া হবে।
উপাচার্য এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চশিক্ষার গুণগতমান অর্জনে হেকেপ পরিচালিত বিভিন্ন কর্মসূচি এবং সম্প্রতি ব্রিটেনের লিডস বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে এমওইউ স্বাক্ষর এবং লিভারপুল জন মোরস বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে এমওইউ চুক্তি চূড়ান্তকরণের বিষয়, ইন্ডাস্ট্রি-ইউনিভার্সিটি ও ল্যাবরেটরি ভিলেজসহ বিভিন্ন গবেষণামুখী প্রকল্প এবং গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করেন।
ব্রিটিশ কাউন্সিলের পরিচালক বারবারা উইকহাম খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের বহুমুখী শিক্ষা কার্যক্রম এবং গুণগত মানোন্নয়নে প্রচেষ্টা এবং বায়োটেকনোলজিসহ বিভিন্ন যুগোপযোগী এবং প্রয়োজনমুখী শিক্ষা বিষয়ের প্রশংসা করেন। তিনি ব্রিটিশ কাউন্সিলের পক্ষ থেকে তাদের সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে বিশেষ করে পার্টনারশিপ, ফেলোশিপ প্রোগ্রামে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও সম্পৃক্ততা প্রত্যাশা করেন। তিনি ল্যাবরেটরি ভিলেজসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনোভেটিভ বিভিন্ন কর্মসূচিরও প্রশংসা করেন।
এ সময় ব্রিটিশ কাউন্সিলের আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষা বিষয়ক বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশীয় প্রধান মো. তৌহিদুর রহমান, ডেপুটি কান্ট্রি এক্সাম ম্যানেজর নাসরীন সুলতানা এবং খুবির বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ডিসিপ্লিন প্রধান প্রফেসর ড. এস এম মাহাবুবুর রহমান, প্রফেসর ড. মো. মুরসালিন বিল্লাহ, সহযোগী অধ্যাপক ড. কাজী মোহাম্মদ দিদারুল ইসলামসহ কয়েকজন শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন। পরে ব্রিটিশ কাউন্সিলের প্রতিনিধিদল বায়োটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের একটি ইন্সপায়ার প্রজেক্টের উপস্থাপনা পর্যবেক্ষণ করেন।
আরও পড়ুন: মুদি দোকানির মাথা ফাটালেন পুলিশ কনস্টেবল
/টিএন/আপ-এআর/








