ঝিনাইদহের শৈলকুপায় নিত্যানন্দপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থী মফিজ উদ্দিনের কর্মী ও সমর্থকদের হামলায় এক সাংবাদিক আহত হয়েছেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে সাংবাদিক মনিরুজ্জামান সুমনকে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে পৌঁছে দিয়েছে বলে জানা যায়।
স্থানীয় সূত্র জানান, আওয়ামী লীগ প্রার্থী মফিজ উদ্দিন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ফারুক হোসেনের সমর্থকরা শনিবার সন্ধ্যার দিকে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া শুরু করেন। খবর পেয়ে সেখানে শৈলকুপা প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের প্রতিনিধি ও জেটিভি’র জেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক মনিরুজ্জামান সুমন ঘটনাস্থলে পৌঁছান।
এসময় এই সাংবাদিকের ওপর হামলায় উস্কানি দেন আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী মফিজ উদ্দিন। তখন ওই প্রার্থীর সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সাংবাদিক সুমনের ওপর হামলা করেন। এসময় তিনি আত্মরক্ষার্থে দৌড়ে পুলিশের গাড়িতে উঠে পড়েন। পরে পুলিশ তাকে নিরাপদ স্থানে পৌঁছে দেয়। দৌড়ানোর সময় সাংবাদিক সুমন পড়ে গিয়ে আহত হন।
আহত সাংবাদিক সুমন জানান, আওয়ামী লীগ চেয়ারম্যান প্রার্থী মফিজ উদ্দিন সাংবাদিক দেখে হঠাৎ করেই ‘ধর্ ধর্’ বলে চিৎকার করলে তার সমর্থকরা লাঠি-সোটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার ওপর চড়াও হন।
নিত্যানন্দপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী মফিজ উদ্দিন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে অনুতপ্ত হন এবং কর্মী-সমর্থকদের পক্ষ থেকে ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চান।
এই ঘটনায় শনিবার রাতে শৈলকুপা প্রেসক্লাবে জরুরি বৈঠকের মাধ্যমে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সাংবাদিকরা। পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় সাংবাদিককে লাঞ্ছিত ও হামলায় বিস্ময় প্রকাশ করেছে সংবাদকর্মীরা। সংবাদকর্মীদের নিরাপত্তাসহ সব বিষয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দেন শৈলকুপা থানার ওসি মহিবুল ইসলাম।
আরও পড়ুন: নির্বাচনি সহিংসতার শিকার ঘোড়া!
/জেবি/টিএন/এইচকে/







