বেসরকারি চিকিৎসা সেবা আইন ২০১৬ এর খসড়া প্রত্যাখ্যান করাসহ এর বাতিলের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ মেডিক্যাল এসোসিয়েশন (বিএমএ) খুলনা শাখা। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২ টায় খুলনা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএমএ খুলনার সভাপতি ডা. বাহারুল আলম এ দাবি জানান।
বিএমএ খুলনা শাখার এই সভাপতি বলেন, এই খসড়া আইন একটি কালো আইনের খসড়া। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন জনগণ। এ আইনের কারণে চিকিৎসক ও রোগীদের মধ্যে দূরত্ব বাড়বে।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, এই আইনের মাধ্যমে বেসরকারি ও সরকারি চিকিৎসকদের বিভক্ত করা হয়েছে যা চরম ভীতিকর। সরকারি হাসপাতালে চলমান রাষ্ট্রের অব্যবস্থাপনা নিরসনের উদ্যোগ নেই, অথচ চিকিৎসকদের মধ্যে বিভক্তি সৃষ্টির প্রক্রিয়া নেওয়া হয়েছে। এ আইনের ফলে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির মারাত্মক বিলুপ্তি ঘটবে। চিকিৎসকদের শাস্তির বিধান রেখে বেসরকারি চিকিৎসা ব্যবস্থার জন্য যে আইন প্রণয়ন হতে চলেছে, তাতে রোগী ও চিকিৎসকদের মধ্যে দূরত্ব সৃষ্ট হবে।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, রোগীর চিকিৎসা প্রদানের জন্য প্রয়োজন হয় অবকাঠামো, আধুনিক প্রযুক্তি ও সমৃদ্ধ যন্ত্রপাতি, জনবল ও উপকরণ। এর কোনও একটির অনুপস্থিতিতে চিকিৎসা সেবা দেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ে এবং চিকিৎসকের ঝুঁকি বাড়ে। ফলে চিকিৎসা দুর্ঘটনার কারণে ব্যাপকভাবে লাঞ্ছিত হচ্ছেন চিকিৎসকরা। ভাঙচুর হচ্ছে চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান।
আরও বলা হয়, সংক্ষুব্ধ আচরণে সরকার প্রায়ই নীরব থাকে। এমন পরিস্থিতির কারণে চিকিৎসকরা চিকিৎসক ও রোগী সুরক্ষা আইন চেয়েছে। আর সরকার ‘বেসরকারি চিকিৎসা সেবা আইন ২০১৬ খসড়া প্রকাশ করেছে। এ আইনের খসড়া চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ ও এটি একটি কালো আইনের খসড়া। বিএমএ খুলনা শাখা ঘৃণাভরে এ খসড়া আইন প্রত্যাখ্যান করছে।
সচিবরা সরকার বিভ্রান্ত করার জন্য এ ধরণের কাজ করছে বলে সংবাদ সম্মেলনে মন্তব্য করা হয়।
সংবাদ সমেস্মলনে বিএমএ’র নেতা ডা. বঙ্গকমল বসু, ডা. শওকত আলী লস্কর, ডা. ধীরাজ মোহন বিশ্বাস প্রমুখ চিকিৎসক উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: বাগেরহাটে মুনিয়াসহ তিন হাজার পাখি উদ্ধার
/এইচকে/








