
অবশেষে শিশু সনুকে ভারতে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে তার ডিএনএ পরীক্ষার জন্য রক্ত সংগ্রহ করা হয়েছে। এদিন ভারতীয় হাইকমিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি রমাকান্ত গুপ্ত, চিত্তরঞ্জণ বহেরা ও ভেব প্রকাশ গ্রোডার যশোর কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে যান। তাদের উপস্থিতিতে সনুর রক্তসহ বিভিন্ন নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এগুলো তার মা-বাবার রক্তের সঙ্গে পরীক্ষা করা হবে। সব ঠিক থাকলে ভারতীয় হাইকমিশন সনুকে তার মা-বাবার কাছে হস্তান্তর করবে।
যশোর কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন জানান, ৬ মাস আগে সনুকে যশোর কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে নিরাপদ হেফাজতে নিয়ে আসা হয়। এরপর সনুর পরিবারের খোঁজখবর শুরু হয়। পরে জানা যায়, তার মা-বাবা দিল্লিতে থাকেন।
এখন দু’দেশের কর্তৃপক্ষ তাকে ফেরত পাঠাতে আইনি প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
বৃহস্পতিবার ডিএনএ পরীক্ষার জন্য ভারতীয় হাইকমিশনের কর্মকর্তারা রক্ত নিয়ে গেছে। সবকিছু মিলে গেলে সনুকে আদালতের মাধ্যমে ফেরত পাঠানো হবে।
প্রসঙ্গত, ভারতের রাজধানী দিল্লির নিউ সীমাপুর যুগ্গি এলাকার মাহমুদ ও মাধুরী মমতাজের ছেলে সনু। ২০১০ সালের ২৩ মে অপহরণ হয় এই মর্মে তার পরিবার সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দেয়। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস ও দৈনিক জাগরণ পত্রিকায় একই বছরের ৪ জুলাই বিজ্ঞপ্তি ছাপা হয়।
বরগুনা জেলার বেতাগী থানা এলাকার গ্রামরদন এলাকার রহিমা ও তার বোন দিল্লি থেকে সনুকে পাচার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। সেই থেকে সনু বরগুনায় থাকত। নির্যাতন ও নিপীড়ন সহ্য করতে না পারায় গত বছর সে বাড়ি থেকে পালায়। ওই সময় একই এলাকার জামাল ইবনে মুসা তাকে উদ্ধার করে আদালতে সোপর্দ করেন। আদালত পরে শিশুটিকে কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠান।
গত বছরের ২২ ডিসেম্বর আদালতের নির্দেশে সনুকে যশোর কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে আনা হয় বলে জানান এখানকার সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন।
আরও পড়ুন:
এবার পাবনায় আশ্রমের সেবককে কুপিয়ে হত্যা
/এসটি/এএইচ/








