কুষ্টিয়ায় আড়াই বছরে পানিতে ডুবে ৫৮ জনের মৃত্যু

কুদরতে খোদা সবুজ, কুষ্টিয়া
০৭ আগস্ট ২০১৬, ১৭:৪৯আপডেট : ০৭ আগস্ট ২০১৬, ১৮:০১

কুষ্টিয়া-বাংলা ট্রিবিউন
কুষ্টিয়ার পদ্মা ও গড়াই নদীতে ডুবে প্রায়ই ঘটছে মৃত্যুর ঘটনা। জেলায় কোনও ডুবুরি দল না থাকায় তাৎক্ষণিক উদ্ধার করতে না পারায় পানিতে ডুবে মুত্যু যেন নিয়তি হয়ে দাঁড়িয়েছে এ অঞ্চলের মানুষের।

গত আড়াই বছরে কুষ্টিয়ায় শুধু পানিতে ডুবেই ৫৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। রাক্ষসী নদীতে জীবনাবসান হয়েছে নারী-পুরুষ, শিশু সবার। এর মধ্যে এ বছরের শুধুই জুলাই মাসেই পানিতে ডুবে মৃত্যু হয়েছে তিনজনের। ২০১৫ সালে পানিতে ডুবে ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। ২০১৪ সালের পানিতে ডুবে প্রায় ৩০ জনের মৃত্যু হয়।

কুষ্টিয়া শহরের কোল ঘেঁষে বয়ে গেছে গড়াই নদী। আর এ নদীতে ডুবে মৃত্যুর ঘটনা নতুন কিছু নয়। নদীতে পানির গভীরতা থাকুক আর নাই থাকুক, বলা যায় অলৌকিকভাবে প্রায় নদীতে ডুবে মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। অপরদিকে, পদ্মা নদীতে ডুবে মরার ঘটনাও নেহায়েত কম নয়।

সর্বশেষ, ২৩ জুলাই কুষ্টিয়ার গড়াই নদীতে ডুবে সম্পা খাতুন (২৬) নামে এক গৃহবধূ নিখোঁজ হন। শনিবার দুপুর দেড়টার সময় শহরের চর থানাপাড়ার পেছনে গড়াই নদীতে গোসল করতে নেমে নদীর স্রোতে সম্পা নিখোঁজ হন। পরে স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে উদ্ধার তৎপরতা শুরু হয়। সম্পা খাতুন কুষ্টিয়া চর থানাপাড়ার সুজনের স্ত্রী।

এর আগে চলতি বছরের গত ১৭ জুলাই কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের পাকুড়িয়া এলাকায় পানিতে ডুবে শাহিন (৫) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়। সে উপজেলার প্রাগপুর ইউনিয়নের পাকুড়িয়া গ্রামের মুজা মণ্ডলের ছেলে। এর আগে গত ৫ জানুয়ারি কুষ্টিয়ার ভেড়ামারার রায়টায় পদ্মা নদীতে ডুবে মোহন (২২) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়। রায়টা ঘাট সংলগ্ন পদ্মা নদী থেকে স্থানীয়রা ওই যুবকের লাশ উদ্ধার করেন।

এদিকে, ২০১৫ সালের পানিতে ডুবে ২৫ জনের মৃত্যু হয়। এর মধ্যে ওই বছরের গত ১৯ অক্টোবর কুষ্টিয়ার মিরপুর ও দৌলতপুরে পৃথক ঘটনায় পানিতে ডুবে দুইজনের মৃত্যু হয়। দৌলতপুর উপজেলর বৈরাগীরচর গ্রামের কালুর ছেলে বিদ্যুৎ (১২) পদ্মা নদীর স্রোতে তলিয়ে যায়। পরে এলাকাবাসী নদীতে তল্লাশি চালিয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করে।

অপরদিকে, মিরপুর উপজেলার আমলা ইউনিয়নের খয়েরপুর গ্রামের সুরুজ ইসলামের মেয়ে স্মৃতি ওরফে নেহা (২) বাড়ির পাশে পুকুরে ডুবে মারা যায়। গত ৩ অক্টোবর কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পদ্মা নদীতে ডুবে ফিলিপনগর গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে সপ্তম শ্রেণির স্কুলছাত্র সাবাজ (১৩) এবং একই এলাকার মন্টু মণ্ডলের ছেলে মিনারুলের (১৫) মৃত্যু হয়।

২২ সেপ্টেম্বর কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু হয়। উপজেলার প্রাগপুর ইউনিয়নের পাকুড়িয়া ভাঙ্গাপাড়া ও প্রাগপুর কামারপাড়া এলাকা থেকে শিশু দুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়রা জানান, পাকুড়িয়া ভাঙ্গাপাড়া এলাকার আলী হোসেনের ছেলে সুমন (৩) খেলা করার সময় বাড়ির পাশ্ববর্তী জলাশয়ে ডুবে মারা যায়।

এ ছাড়া প্রাগপুর কামারপাড়ার আব্দুস ছাত্তারের ছেলে স্বাধীন (৬) বাড়ির পাশে মাথাভাঙ্গা নদীতে গোসল করতে গিয়ে ডুবে যায়। পরে শিশুটির মৃতদেহ ভাসমান অবস্থায় নদীর তীর থেকে উদ্ধার করা হয়। গত ১৫ সেপ্টেম্বর কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পানিতে ডুবে মুস্তাফিজুর রহমান নামে দুই বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়। উপজেলা বাজার সংলগ্ন গোপীনাথপুর গ্রামের নিজ বাড়ির পাশের জলাশয় থেকে তার ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

১৪ সেপ্টেম্বর কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে বিলের পানিতে ডুবে মিম (১০) ও ঋতু (৯) নামে দুই স্কুলছাত্রীর মৃত্যু হয়। উপজেলার দাড়পাড়া গ্রামের গইড়ির বিলে সাঁতার শিখতে গিয়ে তাদের মৃত্যু হয়। গত ৮ সেপ্টেম্বর কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় পানিতে ডুবে রাতুল (৮) নামে এক স্কুলছাত্রের মৃত্যু হয়। উপজেলার ক্ষেমিরদিয়াড় গ্রামের এ দুর্ঘটনাটি ঘটে। সে উপজেলার ক্ষেমিরদিয়াড় গ্রামের শাহীন ইসলাম’র ছেলে ও ক্ষেমিরদিয়াড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র।

৫ সেপ্টেম্বর কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পানিতে ডুবে চুমকি নামে ৩ বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়। উপজেলার মহিষকুণ্ডি মাদরাসাপাড়া গ্রামের একটি পুকুর থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। গত ২২ আগস্ট কুষ্টিয়ার মিরপুরে পানিতে ডুবে রিফাজ (৬ মাস) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়। সে পৌরসভার আরই অফিসপাড়ার আল্লেক আলীর ছেলে।

এর আগে ১৭ আগস্ট কুষ্টিয়ার মিরপুরে পানিতে ডুবে রুমাইয়া আক্তার রিয়া (৬) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়। সে উপজেলার ফুলবাড়ীয়া ইউনিয়নের ফুলবাড়ীয়া হাইস্কুলপাড়া গ্রামের রবিউল ইসলামের মেয়ে। গত ৩০ জুলাই কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পানিতে ডুবে আমির (৫) ও আখি (৬) নামে দুই শিশুর মৃত্যু হয়। উপজেলার দৌলতখালী ও রিফায়েতপুর খানপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

২৮ জুলাই কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পানিতে ডুবে হারুন নামে (২) বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়। উপজেলার মরিচা ইউনিয়নের বৈরাগীরচর দফাদারপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

গত আড়াই বছরে কুষ্টিয়ায় শুধু পানিতে ডুবেই ৫৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।


২৫ জুলাই কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পানিতে ডুবে তিমি (১২) নামে এক কিশোরীর মৃত্যু হয়। নিহত তিমি উপজেলার মিরেরপাড়া গ্রামের আহসান হাবিব সেন্টুর মেয়ে। ২৪ জুলাই কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার সদকি ইউনিয়নের মহিষাখোলা গ্রামে পানিতে ডুবে মেডিকেল কলেজের এক ছাত্রীসহ দুই বোনের মৃত্যু হয়। নিহত দুই বোন হলেন- ঝুমা (২৩) ও জুঁই (১৬)। ঝুমা খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। গত ২৯ মে কুষ্টিয়ার মিরপুরে পানিতে ডুবে ফাতেমা ফারজানা সেফা (২) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়। সে উপজেলার আমলা ইউনিয়নের ওয়াবদা পাড়া গ্রামের ফরজ আলীর মেয়ে।

১৩ মে কুষ্টিয়ার মিরপুরে পানিতে ডুবে হাফিজুল (৪) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়। সে উপজেলার তালবাড়িয়া ইউপির রাণাখড়িয়া গ্রামের রুবেল হোসেনের ছেলে। ১ মে কুষ্টিয়ায় গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে বিশাল শেখ (১৪) নামের এক স্কুল শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়। সদর উপজেলার বটতৈল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সে কুষ্টিয়ার লাহীনি বটতৈল বিদ্যাপীঠ স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্র ও হরিশংকরপুর এলাকার আবু তৈয়ব শেখের ছেলে। ৮ এপ্রিল কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পানিতে ডুবে দুই বোনের মৃত্যু হয়। নিহত জিনিয়া খাতুন (৬) ও লামিয়া খাতুন (৪) চাচাতো বোন। উপজেলার আড়িয়া ইউনিয়নের কালিদাসপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। জিনিয়া ওই গ্রামের রফিকুল ইসলাম এবং লামিয়া ইদ্রীস আলীর মেয়ে। ১৬ ফেব্রুয়ারি কুষ্টিয়ায় পুকুরে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে সৌরভ (২২) নামের এক কলেজ শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়। তিনি সরকারি কলেজের অর্থনীতি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র।

২০১৪ সালের পানিতে ডুবে প্রায় ৩০ জনের মৃত্যু হয়।

এর মধ্যে ওই বছরের গত ১৬ ডিসেম্বর কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে পানিতে ডুবে মুন্না (৪) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়। সে উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামে রহমত আলীর ছেলে। ২৫ নভেম্বর কুষ্টিয়ার মিরপুরে পানিতে ডুবে নূরজাহান বেগম (৯৫) নামে এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়। তিনি মিরপুর পৌরসভার সুলতানপুর গ্রামের মৃত সেকেন্দার আলীর স্ত্রী। ১১ নভেম্বর কুষ্টিয়া সদর উপজেলার বারখাদার পদ্মফুল তুলতে গেলে একটি পরিত্যক্ত কুয়ায় ডুবে তিন শিশুর মৃত্যু হয়। নিহতরা হলো- শাকিল (৫), লিটন (৫) ও তরুণ (৪)। নিহত শাকিল ও লিখন আপন চাচাত ভাই।

গত বছরের ২৩ অক্টোবর কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পুকুরে ডুবে মোজাদিহ নামে দুই বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়। উপজেলার ফারাকপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। গত ১৪ অক্টোবর কুষ্টিয়ার খোকসায় পানিতে ডুবে শিশুসহ দু’জনের মৃত্যু হয়। তারা হলেন-উপজেলার শোমসপুর ইউনিয়নের সন্তোষপুর গ্রামের দাউদের মেয়ে তামান্না (৭) ও মহিরের স্ত্রী বিউটি (২০)। ৩০ সেপ্টেম্বর কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে মাথাভাঙ্গা নদীতে ডুবে তানিম (৩) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়। ১১ সেপ্টেম্বর কুষ্টিয়া শহরের রেনউইক বাঁধ এলাকায় গড়াই নদীতে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে সজিব (১৮) নামে এক কলেজ ছাত্রের মৃত্যু হয়। সজিব পাবনা জেলার রূপপুরের বুলু মোল্লার ছেলে। ১০ সেপ্টেম্বর কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পুকুরে ডুবে নাহিদ (৬) নামে প্রথম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রের মৃত্যু হয়। সে উপজেলার মথুরাপুর ইউনিয়নের কৈপাল গ্রামের নাহারুল ইসলামের ছেলে।

১৭ আগষ্ট কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তে বিএসএফের ধাওয়া খেয়ে মাথাভাঙ্গা নদীতে ডুবে শামীম (২৮) নামে এক যুবকের মরদেহ গাংনী এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়। ২৮ আগষ্ট কুষ্টিয়ায় পানিতে ডুবে আমানুর ইসলাম (১৫) নামে এক কিশোরের মৃত্যু হয়। সে গাছিয়া গ্রামের আমজাদ হোসেনের ছেলে। ৪ আগষ্ট কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় পানিতে ডুবে শান্ত (৭) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়। সে উপজেলার চাঁদগ্রাম ইউনিয়নের কোদালিয়া গ্রামের আসলাম আলীর ছেলে। ২৯ জুলাই বিকেলে ঈদ উপলক্ষে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার বৈরাগীর চর এলাকায় পদ্মা নদীতে আনন্দ ভ্রমণে গিয়ে প্রবল ঢেউয়ের মুখে নৌকাটি উল্টে ১৫ জন নিখোঁজ হয়। পরে খুলনা থেকে ডুবুরিদের একটি দল তিনদিন ধরে অভিযান চালিয়ে ১৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করেন।

৩১ জুলাই কুষ্টিয়া খেয়াঘাট থেকে একজন, খোকসা আমবাড়িয়া থেকে দুইজন, বৈরাগীর চর থেকে একজন ও সুজানগর থেকে আরো একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ভেড়ামারা উপজেলার রায়টা পাথরঘাটা এলাকার পদ্মা নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় কালু শেখ (১৮), শিখা (১৮) ও শাহাজুলের (২৮) মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। দৌলতপুর উপজেলার মরিচা ইউনিয়নের কোলদিয়ার এলাকার পদ্মা নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় শিপন (২৮) নামে আরও একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মিরপুর উপজেলার রানাখড়িয়া এলাকার পদ্মা নদী থেকে বীথি (১৪) ও বিভা (২০) নামে আরও দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এছাড়াও কুমারখালী উপজেলার গড়াই নদী থেকে মালা আক্তার পলি (২২) নামে এক নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়। গত ১ আগষ্ট দৌলতপুরে তিন্নি (৮) নামে আরও এক শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়। ১২ মে কুষ্টিয়ার কালীগঙ্গা নদীতে গোসল করতে নেমে আবু তালেব (৭০) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়। ১৫ এপ্রিল কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার কমলাপুর গ্রামে পানিতে ডুবে সৈকত (৬) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়।

কুষ্টিয়ার পদ্মা ও গড়াই নদীতে ডুবে প্রায়ই ঘটছে মৃত্যুর ঘটনা স্থানীয়রা জানান, প্রায়ই পদ্মা ও গড়াই নদীতে ডুবে মৃত্যুর খবর শোনা যায়। নদীতে মৃত্যুর পর অতি কষ্টে এলাকাবাসী ও নদীতে ডোবা ব্যক্তির স্বজনরা লাশ উদ্ধার করেন। নদীর মধ্যে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরেও খুঁজে অনেক সময় লাশ পাওয়া যায় না। আবার অনেক সময় লাশ মেলে ডুবে যাওয়ার কয়েকদিন পর। এসব কারণে কুষ্টিয়ায় ডুবুরি দল রাখা অত্যাবশ্যক হয়ে পড়েছে।

এলাকাবাসীর দাবি, অন্তত মরদেহ যাতে সহজে খুঁজে পেয়ে সৎকার করা যায়। এখানে ডুবুরি দল না থাকায় স্থানীয়রাই এগিয়ে আসেন উদ্ধার কাজে। কুষ্টিয়া ফায়ার সার্ভিসে ডুবুরি দল সংযোজন জরুরি হয়ে পড়েছে বলে স্থানীয়দের দাবি।

এ বিষয়ে কুষ্টিয়া ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক বদরুল আলম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, কুষ্টিয়ার পদ্মা ও গড়াই নদীতে ডুবে প্রায়ই মৃত্যুর খবর শোনা যায়। এজন্য এখানে ডুবুরি দল থাকা বিশেষ প্রয়োজন।

প্রসঙ্গত, ২০১২ সালে কুষ্টিয়ায় ডুবুরি দলের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রলয়ে একটি চিঠি দেওয়া হয়। সে সময় কুষ্টিয়ায় ডুবুরি নিয়োগের সম্ভাবনা রয়েছে বলেও জানায় ফায়ার সার্ভিস। তবে বিভাগীয় সিদ্ধান্তের অভাবে আজ পর্যন্ত তা বাস্তবায়িত হয়নি।

জানা গেছে, কুষ্টিয়াসহ আশপাশের অনেক জেলাতেও ডুবুরি দল নেই। শুধুমাত্র খুলনা স্টেশনে ডুবুরি দল রয়েছেন।

/এবি/

 আরও পড়ুন

কুমিল্লা সীমান্তে কঙ্গোর নাগরিক আটক

খুলনাসহ ১৬ জেলায় ২৯ আগস্ট জ্বালানি তেল ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট

আমাদের কখনও মানুষ হিসেবে দেখা হয়নি: সন্তু লারমা

 

সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
ভৈরবে রেলপথ অবরোধ: ৫টি ট্রেন মাঝরাস্তায় আটকা, চলাচল ব্যাহত
ভৈরবে রেলপথ অবরোধ: ৫টি ট্রেন মাঝরাস্তায় আটকা, চলাচল ব্যাহত
‘পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ প্রধানমন্ত্রীকে নোবেল দিলে সেটা তারেক রহমান পাবেন’
‘পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ প্রধানমন্ত্রীকে নোবেল দিলে সেটা তারেক রহমান পাবেন’
আফগানিস্তানের সঙ্গে ড্র করলো বাংলাদেশ 
আফগানিস্তানের সঙ্গে ড্র করলো বাংলাদেশ 
বিশ্বের সেরা ১০০ উপন্যাস : বাছাই ও বির্তক
বিশ্বের সেরা ১০০ উপন্যাস : বাছাই ও বির্তক
সর্বাধিক পঠিত
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: নিজেকে নির্দোষ দাবি ডলারের
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: নিজেকে নির্দোষ দাবি ডলারের
আপা ডাকায় নয়, বাসি মিষ্টি পাওয়ায় জরিমানা করেছি
সংবাদ সম্মেলনে ইউএনও মুনমুন নাহার আশাআপা ডাকায় নয়, বাসি মিষ্টি পাওয়ায় জরিমানা করেছি