অনৈতিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকার অভিযোগে যশোরে বসুন্দিয়া হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসার দুই শিক্ষককে আটক করা হয়েছে। তারা হলেন- সহকারী সুপার শহিদুল ইসলাম এবং সহকারী শিক্ষক মাহমুদা সুলতানা ওরফে পপি। স্থানীয় জনতা তাদের আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।
মঙ্গলবার দুপুরে সদর উপজেলার পদ্মবিলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
যশোরের বসুন্দিয়া পুলিশ ক্যাম্পের এসআই সোহরাব হোসেন জানান, অভয়নগর থানার শ্রীধরপুর গ্রামের শহিদুল ইসলাম বেলা ১২টার দিকে সদর উপজেলার পদ্মবিলা গ্রামের একই মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষিক পপির বাড়িতে যান। তখন তার স্বামী আলী হোসেন বাড়িতে ছিলেন না। এসময় অনৈতিক কর্মকাণ্ড করায় স্থানীয়রা তাদেরকে আটক করে পুলিশে খবর দেয়। এরপর বসুন্দিয়া ক্যাম্পের পুলিশ তাদের উদ্ধার করে কোতোয়ালী থানায় নিয়ে আসে।
তাদের বিরুদ্ধে ইতোপূর্বে এমন ঘটনার আরও অভিযোগ রয়েছে বলে জানান তিনি।
এ ব্যাপারে কোতোয়ালী থানার ওসি ইলিয়াস হোসেন জানান, প্রকৃত ঘটনা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। সত্য হলে আইনগত ব্যবস্থা, অন্যথায় ছেড়ে দেওয়া হবে।
তবে, অভিযুক্ত শিক্ষিকা মাহমুদা সুলতানার দাবি, তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগটি মিথ্যা। তিনি টাকা ধার নেওয়ার জন্যে তার সহকর্মীকে বাড়িতে ডেকে আনেন। পূর্ব শত্রুতার জের ধরে স্থানীয় লোকজন তাদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ এনেছে।
আরও পড়ুন: গাজীপুরে পিস্তল ও ৫ রাউন্ড গুলিসহ গ্রেফতার ১
/এআর/








