খুলনায় রবিবার (৪ সেপ্টেম্বর) সম্পন্ন হয়েছে ভিক্ষুক সার্ভে।প্রাথমিক সার্ভেতে এ জেলায় ৩ হাজার ২৮৬ জন ভিক্ষুকের নাম নিবন্ধন করেছে জেলা প্রশাসন। মহানগরীর ১০টি পয়েন্টে এ সার্ভে চলাকালে ভিক্ষুকরা জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ে এসেও নাম নিবন্ধন করেছেন।
খুলনার জেলা প্রশাসক নাজমুল আহসান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ভিক্ষুকদের নাম নিবন্ধনের কাজ শেষ হয়েছে। এবার ডাটাবেজের কাজ চলছে। যাচাই-বাছাই শেষে তালিকা চূড়ান্ত করা হবে। এরপর কর্মক্ষমদের যুব উন্নয়ন ও মহিলা অধিদফতরের সহায়তায় প্রশিক্ষণ শেষে কর্মের ব্যবস্থা করা হবে। দক্ষতা থাকলে বিদেশেও পাঠানো হতে পারে। আর কর্মক্ষমহীন ও বয়স্কদের নিজ নিজ এলাকায় পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হবে। যদি কেউ অসুস্থ থাকে তাদের সরকারিভাবে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে। তবে কাউকে কোনও প্রকার ভাতা দেওয়া হবে না। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু হবে।’
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, রূপসার ফেরিঘাট, নতুন বাজার লঞ্চঘাট, নিউ মার্কেট, খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, রেল স্টেশন, বিআইডব্লিউ লঞ্চঘাট, দৌলতপুর বাসস্ট্যান্ড, শিরোমনি বাসস্ট্যান্ড, সোনাডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড ও গল্লামারী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় জেলা প্রশাসনের ৫টি টিম সার্ভে করে। এর মধ্যে মহানগরীতে ৮১৪ জন ভিক্ষুকের নিবন্ধন হয়েছে। উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও চেয়ারম্যানদের সহায়তায় ২ হাজার ৪৭২ জনের নাম নিবন্ধন করা হয়। এদের মধ্যে রয়েছে রূপসা উপজেলার ৫ ইউনিয়নে ২৬৩ জন, তেরখাদা ৬ ইউনিয়নে ৩০৩ জন, দিঘলিয়া ৬ ইউনিয়নে ২৬৪ জন, ফুলতলা ৪ ইউনিয়নে ৩১২ জন, ডুমুরিয়া ১৪ ইউনিয়নে ৫৭৮ জন, বটিয়াঘাটা ৭ ইউনিয়নে ৫২ জন, দাকোপ ১০ ইউনিয়নে ৮২ জন, পাইকগাছা ১১ ইউনিয়নে ২৫৭ জন ও কয়রা ৭ ইউনিয়নে ৩৬১ জন।
ছবি: সংগৃহীত
/এআর/








