কুষ্টিয়ায় আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে দুজন নিহতের ঘটনায় সাতজনকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার রাতে জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। তবে এ ঘটনায় এখনও কোনও মামলা করা হয়নি।
শনিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কেরামত আলী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি বখতিয়ার হোসেনের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে ও ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ইমান আলী মণ্ডল (৪২) ও শাহাবুদ্দিন (৪৫) নিহত হন। এ ঘটনায় অন্তত ২০ জন আহত হন।
কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার (এসপি) প্রলয় চিসিম আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ প্রস্তুত রয়েছে। মামলার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
শনিবার রাতে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার মাছপাড়া গ্রামে পুলিশের খুলনা রেঞ্জের অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মো. হাবিবুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তিনি জানান, খুলনা রেঞ্জের ৫০ জন পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। আস্থানগর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একটি অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, উপজেলার চরবাখইল গ্রামের রাহেন আলী (৪৬), বজরুখ বাখইল গ্রামের মোবারক হোসেন (৪৫), খোর্দ্দ বাখইল গ্রামের আবদুল আজিজ (৪৫), কুতুব উদ্দিন (৫২), ঝাউদিয়ার আজিম উদ্দিন (৫৬), হাতিয়ার শামীম (২০) ও চর বাখইল গ্রামের মাওলা।
/এমডিপি/








