যশোর-ঝিনাইদহ সড়কে দুই সন্ত্রাসী দল ও পুলিশের মধ্যে গুলি বিনিময়ের ঘটনায় অজ্ঞাত (৩৮) এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। বুধবার রাতে এ ঘটনা ঘটে। এসময় ঘটনাস্থল থেকে একটি ওয়ান শুটারগান ও এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, গত ২৬ সেপ্টেম্বর যশোরের বাঘারপাড়ায় ছিনতাইকালে যে তিন ব্যক্তি গণপিটুনির শিকার হয়েছিল, তাদের মধ্যে নিহত ব্যক্তির চেহারার মিল রয়েছে। আজাদুর রহমান টোকন নামে ওই ব্যক্তিকে পুলিশ হেফাজতে বাঘারপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে আনার পথে গত ২৭ সেপ্টেম্বর বেলা তিনটার দিকে তার সহযোগীরা বোমা ফাটিয়ে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
আজাদুর ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলার মকিমপুর গ্রামের আব্বাস মন্ডলের ছেলে। তিনি অস্ত্র মামলায় দশ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ফেরারি আসামি।
কোতোয়ালী থানার ওসি ইলিয়াস হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, বুধবার গভীর রাতে যশোর-ঝিনাইদহ সড়কে দুই সন্ত্রাসী দলের মধ্যে গোলাগুলি হচ্ছে এমন খবর পায় পুলিশ। পরে রাত ২টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থল মথুরাপুর ফিলিং স্টেশনের প্রায় ৫০০ গজ দূরে অবস্থান নেয়। এ সময় সন্ত্রাসীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ পাঁচ রাউন্ড গুলিবর্ষণ করে। পরে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে গেলে সেখান থেকে অজ্ঞাত ওই ব্যক্তিকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে জেনারেল হাসপাতালে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ওসির দাবি, ঘটনাস্থল থেকে একটি ওয়ান শুটারগান ও এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত চিকিৎসক এম আবদুর রশিদ জানান, অজ্ঞাত ওই ব্যক্তি মাথায় এক রাউন্ড গুলিবিদ্ধ হয়। হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়।
/এআর/








