যশোরে গৃহবধূ রূপালী খাতুন হত্যা মামলায় তার স্বামী হেলাল উদ্দিনকে (৪০) ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার যশোরের স্পেশাল জজ (জেলা জজ )আদালতের বিচারক নিতাই চন্দ্র সাহা এ রায় ঘোষণা দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত হেলাল উদ্দিনের গ্রামের বাড়ি বগুড়া সদরের শিকারপুরে। সে যশোর শহরের বারান্দিপাড়া খালধার রোড এলাকায় গোলাম আকবরের বাসায় ভাড়া থাকতো। বর্তমানে সে পলাতক রয়েছে।
আদালতের পিপি এসএম বদরুজ্জামান পলাশ জানান, ফার্নিচার মিস্ত্রি হেলাল উদ্দিনের দুই স্ত্রী। ২০০১ সালের ১৪ জুন রাতে হেলাল তার দ্বিতীয় স্ত্রী রূপালী খাতুনকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর বাড়ির সেপটিক ট্যাংকে লাশ ফেলে দেয়। বিষয়টি পরদিন হেলালউদ্দিন তার দোকান মালিক শরিফুল ইসলামকে অবহিত করে। এরপর শরিফুল অন্যদের সহায়তায় হেলালকে পুলিশের হাতে তুলে দেন। পরে পুলিশ রূপালীর লাশ সেপটিক ট্যাংক থেকে উদ্ধার করে। সেদিনই শরিফুল ইসলাম বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে যশোর কোতয়ালী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। আদালতে হেলালউদ্দিন তার স্ত্রীকে হত্যার কথা স্বীকার করে জবানবন্দী দেয়। মামলার তদন্তশেষে আদালতে চার্জশিট জমা দেয় পুলিশ।
মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আসামি হেলাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আজ সোমবার বিচারক তাকে মৃত্যুদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দেন।
/এমডিপি/








