খুলনায় উচ্ছেদ ঠেকানোর নামে আদায় অর্ধ কোটি টাকা

খুলনা প্রতিনিধি
২৫ অক্টোবর ২০১৬, ১৭:৪৯আপডেট : ২৫ অক্টোবর ২০১৬, ১৯:২২

খুলনা খুলনায় আধুনিক রেলওয়ে স্টেশন নির্মাণের জন্য ধারাবাহিক পদক্ষেপের অংশ হিসেবে মঙ্গলবার উচ্ছেদ অভিযান চালায় রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চল। উচ্ছেদ হওয়া দোকান মালিকদের অভিযোগ, উচ্ছেদ ঠেকাতে মার্কেট কমিটি প্রতিটি দোকান থেকে প্রতি ফুটের যায়গার জন্য ৫ হাজার টাকা করে নিয়েছে। সে হিসেবে ৯০টি দোকান থেকে ৫০ লাখের বেশি টাকা আদায় করেছেন তারা। তবে টাকা আদায় করলেও উচ্ছেদ বন্ধ হয়নি।
মঙ্গলবার সকাল থেকে শুরু করে বিকাল ৩টা পর্যন্ত চলে উচ্ছেদ অভিযান। রেলওয়ের এই জায়গা দখল করে শের-ই-বাংলা মার্কেট গড়ে তোলা হয়েছিল। মার্কেটে ১৩০টি অবৈধ দোকান ছিল। ২০১৫ সালের ৪ ও ৫ মার্চ প্রথম দফার উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছিল। এবার দ্বিতীয় দফায় ৯০টি দোকান উচ্ছেদ করা হলো।
অভিযানের নেতৃত্ব দেন রেলওয়ে পাকশীর বিভাগীয় ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা মো. হাফিজুর রহমান। এ সময় প্রধান ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা ড. আব্দুল মান্নান, বিভাগীয় রেলওয়ে ম্যানেজার মো. আফজাল হোসেন এবং প্রধান প্রকৌশলী ও বিভাগীয় প্রকৌশলীসহ ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় খুলনা জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আতিকুল ইসলাম ভ্রাম্যমাণ আদালতের দায়িত্বে ছিলেন।

রেলওয়ে পাকশীর বিভাগীয় ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা মো. হাফিজুর রহমান বলেন, ‘খুলনায় আধুনিক রেলস্টেশন নির্মাণ নির্বঘ্ন করতে অবৈধ দোকান পাট উচ্ছেদ করা হয়েছে। গত বছর ৪০টি দোকান ঘর উচ্ছেদ করা হয়েছিল। মঙ্গলবার অবশিষ্ট দোকানগুলো উচ্ছেদ করে সম্পত্তির নিয়ন্ত্রণ নেওয়া হয়েছে।’

উচ্ছেদ হওয়া মাগুরা ফার্নিচার নামে দোকানের মালিক আব্দুল হালিম বলেন, ‘পাঁচদিন আগে মাইকিং করে মঙ্গলবার দোকানগুলো উচ্ছেদ করা হবে বলে জানানো হয়ে। এর আগে উচ্ছেদ বন্ধ করার জন্য প্রতিটি দোকান থেকে প্রতি ফুট (চওড়ায়) জায়গার জন্য ৫ হাজার  করে টাকা নেওয়া হয়। আমার দোকানের ৮ ফুট জায়গার জন্য ৪০ হাজার দিয়েছিলেন। কিন্তু উচ্ছেদ বন্ধ হয়নি। তবে মার্কেট কমিটির কোষাধ্যক্ষ ইকবাল হোসেন জিল্লু উচ্ছেদ চলাকালে এখানে এসে টাকা ফেরতের আশ্বাস দেন।

উচ্ছেদ হওয়া রাইসা এন্টারপ্রাইজের মালিক ফায়েজুর রহমান জানান, ‘আমার দোকানে ৯ ফুট (চওড়া) জায়গা রয়েছে। এ জায়গা রক্ষা ও উচ্ছেদ বন্ধ করার জন্য ৪৫ হাজার টাকা নিয়েছে মার্কেট কমিটি।’

শের-ই-বাংলা মার্কেট কমিটির সভাপতি চ ম মুজিবুর রহমান বলেন, ‘শুরুতে মার্কেট রক্ষার জন্য আন্দোলন সংগ্রাম করা হয়েছে। এ আন্দোলন করার জন্য অর্থ মার্কেট কমিটির ফান্ড থেকে ব্যয় করা হয়। কোনও দোকান থেকে এ জন্য আলাদাভাবে অর্থ নেওয়া হয়নি। ্বার টাকা আদায়ের বিষয়ে আমি কিছু জানি না। তবে উন্নয়নমূলক কাজের জন্য টাকা নেওয়া হতে পারে।’

/এনএস/

সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
বাসায় ফিরে বিএনপি সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন আ.লীগের আইভী
বাসায় ফিরে বিএনপি সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন আ.লীগের আইভী
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম